রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৩ মে ২০২০, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:০৭ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মোহনপুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ত্রাণ বিতরণ ◈ বদলগাছীতে জেলা প্রশাসকের ঈদ উপহার বিতরণ ◈ হামরকোনা বয়েজ ক্লাবের সার্বিক সহায়তায় ১৬০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ◈ করোনা চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত বিক্রমপুরের কৃতি সন্তান ডাঃ মোঃ মাহমুদ আলম ◈ রাজশাহীতে একদিনেই সাতজনের করোনা পজিটিভ ◈ নাচোলে এমপি আমিনুলের ব্যক্তিগত অর্থায়নে অসহায় ও কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন ◈ ৫৪৩টি মসজিদে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান বিতরন করলেন ডাঃ মনসুর রহমান এমপি ◈ ধুনটে আওয়ামীলীগ নেতা মিঠুর অর্থায়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ◈ ধুনটে ৪৩৫ টি মসজিদে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর ◈ নদীর পাড়ের শিশুদের মুখে হাসি ফোটালো ছাত্রলীগ নেতা আসাদ

চাকরি ছেড়ে মাশরুম চাষ, লাখপতি তরুণী

প্রকাশিত : ০৬:৩৫ AM, ১৬ নভেম্বর ২০১৯ Saturday ১৬৩ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

মনিকা চৌধুরি। এমবিএ করে গত ১৫ বছর ধরে ভাল চাকরি করছিলেন। কিন্তু কোথাও যেন একটা শূন্যস্থান রয়ে গিয়েছিল। ইচ্ছা ছিল, মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য কিছু করার।

অঙ্কে স্নাতক মনিকা দিল্লির বাসিন্দা। স্বামী এবং দুই সন্তান নিয়ে তার সুখের সংসার। আর সেই সংসারে আরও বেশি সুখ এনে দিয়েছে মাশরুম চাষ। কারণ এতে উপার্জন যেমন বেড়েছে, তেমনি আগের থেকে অনেক বেশি সময় পরিবারকে দিতে পারছেন তিনি।

সেই ‘কিছু করার’ ইচ্ছা থেকেই এমবিএ-র চাকরি থেকে জৈব চাষাবাদ শুরু করেন মনিকা। মাশরুম চাষ শুরু করেন তিনি। মাত্র দু’বছরের মধ্যে মাশরুম চাষে তার উপার্জন কত দাঁড়িয়েছে জানেন?

মাসে এক লাখ টাকারও বেশি। শুধুমাত্র মাশরুম চাষ করেই মাসে এক লাখ টাকা উপার্জন করছেন তিনি।প্রথম প্রথম মনিকা ২০-২৫ কেজি মাশরুম ফলাতে পারতেন। বর্তমানে প্রতি মাসে ৪০-৪৫ কেজি মাশরুম উত্পাদন হয়।

১৫ বছর চাকরি করা মনিকা চাকরি ছেড়ে নিজের কিছু ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছিলেন। তার স্বামীর এক বন্ধু প্রথম তাকে মাশরুম চাষের পরামর্শ দেন। সেই বন্ধুই তাকে ডিরেক্টরেট অব মাশরুম রিসার্চের একটি প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার কথা জানান। মাশরুম চাষের পদ্ধতি এবং মাশরুমের উপকারিতা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় সেখানে।

প্রশিক্ষণে যোগ দেওয়ার পরই মনিকা মাশরুম চাষ শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। ছেড়ে দেন চাকরি।

প্রোটিন, ফাইবার এবং মিনারেলের খুব ভাল উত্স মাশরুম। মানুষের সুস্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করার যে ইচ্ছা ছিল, সেটাও পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা মাশরুম চাষে দেখতে পান তিনি।

কিন্তু বাধা ছিল একটাই। মাশরুমের ফলন বাড়ানোর জন্য এবং মাশরুমকে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য রাসায়নিক দেওয়াটা জরুরি। কিন্তু মনিকা কোনওরকম রাসায়নিক ব্যবহার করতে চাইছিলেন না। কিন্তু রাসায়নিক ছাড়া মাশরুমের ভাল ফলনের পরামর্শ তাকে কেউ দিতে পারেননি। ফলে মনিকাই অন্য উপায় বার করে নেন।

তিনি খারাপ স্পনগুলো বাদ দিয়ে মাশরুম চাষ করতে শুরু করেন। এতে প্রথম ৩-৪ মাস তার বেশ ক্ষতি হয়েছিল। কোন স্পনের স্বাস্থ্য খারাপ আর কোন স্পনের স্বাস্থ্য ভাল তা বুঝতেই বেশ কিছুটা সময় লেগেছিল তার। প্রথম বছরটা তেমন লাভ করতে পারেননি মনিকা। তবে দ্বিতীয় বছরে অভাবনীয় ফল পেতে শুরু করেন তিনি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT