রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ডলুব্রীজকে দূর্বৃত্তরা বানালো গাড়ীর ষ্টেশন

প্রকাশিত : ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ, ৩ অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার ৫৫২ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

সৈয়দ আক্কাস উদদীন কক্সবাজার সদর হইতে: সমগ্র বাংলাদেশে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত এবং সমাদৃত সাতকানিয়া উপজেলা, ভৌগলিক এবং অবস্থানগত কারনে, সাতকানিয়ার রয়েছে আলাদা কদর। বাংলাদেশ সরকার কে রাজস্ব আদায়ে ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম করদাতা এই উপজেলা। একটি দেশ পরিপূর্নতা পেতে যে যে ব্যক্তির জন্ম হওয়া দরকার, সবেই আছে এই উপজেলায়, অনেকটা গর্ব করার মত। তবে হ্যা,একটি জিনিষ নেই সেটা হচ্ছে গাড়ী থামানো কোন নির্দিষ্ট স্থান।

তাই সিএনজি বাস মাইক্রোর ড্রাইভাররা বেপরোয়া ভাবে, প্রকাশ্যে অনেকটা সরকারি দলের প্রভাব খাটিয়েঁ বানিয়ে ফেলছে সাতকানিয়ার ঐতিহ্যবাহী ডলুব্রীজকেই সিএনজির ষ্টেশন। ফলে সৃষ্টি হয়, যানজট,বন্ধ হয়ে যায় ফুটপাত। নষ্ট হয় সময়,ঝুকিতে পড়ে জীবন যাত্রা। বিলুপ্ত হচ্ছে এতিহাসিক ব্রীজের সৌন্দর্য্য,ভোগান্তিতে পড়ছে মূমুর্ষ রোগীরা।টনক নড়েনা পৌর পিতার, নির্দেশনা আসেনা এ্যাকশন নেয়ার। তবে জনমনে প্রশ্ন পৌর প্রশাসক কে কি পৌর টেক্সট দিয়েই এই ঐতিহাসিক ব্রীজকে গাড়ীর ষ্টেশন বানালো হলো? নাকি উর্ধ্বতন কোন ব্যক্তির ইশারায় বা সংশ্লীষ্ঠ দপ্তর কোন প্রভাবশালীকে এই ঐতিহাসিক ব্রীজটা লীজ দিলো?

সাতকানিয়ার একমাত্র বৃহত্তম এই ব্রীজটি প্রতিদিন গড়ে কতটা স্থায়ী লোড নিচ্ছে তার কি কোন খবর আছে? অথচ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্রীজের সামনে লেখা থাকে নির্দিষ্ট পরিমান টন বোঝায়ের কথা, সেই জায়গায় সাতকানিয়ায় একটি মাত্র ব্রীজ সেই ব্রীজটাকে বানালো গাড়ীর ষ্টেশন। প্রতিদিনের নির্দিষ্ট চলাচলের গাড়ীর ভর, আর নিয়মিত মানুষ কর্তৃক সৃষ্টির বাসষ্টেশনের ভর মিলে, দুইয়ে দুইয়ের একাকারের ভালোবাসার ওজন নিতে নিতে নষ্ট হচ্ছে প্রিয় ডলুব্রীজের আয়ু, কমে আসছে তার যৌবন। ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে এই ব্রীজ। আর এই ব্রীজের জন্য মায়া হয়না কারো,যে ব্রীজকে প্রতিদিন ধর্ষন করা হচ্ছে জমানো গাড়ী গুলোর মাধ্যমে। থেমে দেয়া হচ্ছে মানুষের চলাচলের প্রধান এই মাধ্যমকে। জানিনা, কখন আবার এই ব্রীজকে পৌর প্রশাসন বা দায়িত্বশীল কেউ বাসষ্টেশন ঘোষনা করে বসে!!!

তবে সংশ্লীষ্ট একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে লীজ প্রকাশ্য এবং গোপনীয় দুই ধরনের হয়ে থাকে,এই ডলুব্রীজকে গোপনীয় লীজ দেয়া হয়েছে। মানলাম গোপনীয় লীজ তবে টাকা ও কি বন্টনটা গোপন নাকি প্রকাশ্যে বন্টন। আচ্ছা এভাবে চলতে চলতে যদি ক্ষয় হয়ে যায় আমার এই ব্রীজ?কোন জনপ্রতিনিধি বা আমলার কিছু যায় আসেনা,। ক্ষতিটাই তাদের, যারা- সাতকানিয়াকেই ভালোবাসে!

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT