রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

০২:৩৭ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ চাটখিলে ব্রাকের এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত ◈ ঐতিহ্যের স্মারক বিক্রমপুর জাদুঘর ◈ মুক্তাগাছায় নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা গ্রেফতার ◈ মুক্তাগাছায় নিজ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা গ্রেফতার ◈ কলমাকান্দায় যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ◈ তাহিরপুরে দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সাথে থানা পুলিশের মতবিনিময় ◈ ভালুকায় তিতাস গ্যাস অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতি এখন ‘নিয়ম’ ◈ করোনার কারনে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে এক প্রতিষ্ঠানের ৮৫ স্কুল ছাত্রী ◈ হামলার প্রতিবাদে শরীয়তপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান ◈ বেলান নদীর সাঁকো ভেঙে লাখো মানুষের ভোগান্তি

গাধাও পাজামা পরে, তার কারণ…

প্রকাশিত : ০৯:২৬ PM, ৪ অক্টোবর ২০১৯ শুক্রবার ১৯৬ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

নানা কারণেই গাধার চাহিদা আকাশছোঁয়া। গাধা হলো বিশ্বের সবচেয়ে কর্মক্ষম প্রাণী। তাদের দিয়েই বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে মাল বয়ে নিয়ে যাওয়া হতো।

গাধার পিঠে চড়ে মাইলের পর মাইল পেরিয়ে যেতেন অনেকে। কিন্তু এই গাধার গুরুত্ব এখনও একটুও কমেনি। এরা হল ‘পোইটু গাধা’। আকারে সাধারণ গাধার তুলনায় বেশ খানিকটা বড় এবং লম্বা। তবে সারা বিশ্বে এদের সংখ্যা এখন ‘হাতে গোনা’। ২০০৫ সালে হিসেব করে দেখা গিয়েছে, সারা বিশ্বে পোইটু গাধার সংখ্যা মাত্র ৪৫০।

পোইটু এক ধরনের বিশেষ প্রজাতির গাধা। ফ্রান্সের পোইটু উপত্যকায় এদের আদি বাসস্থান। একটা সময় ইউরোপে চড়া দামে পোইটু গাধা কেনা-বেচা করা হত। লম্বায়-চওড়ায়, দেখতে অনেকটাই ঘোড়ার মতো। ফলে এদের পরিশ্রম করার ক্ষমতাও অন্যান্য গাধার তুলনায় অনেকটাই বেশি।
ঐতিহাসিকদের মতে, ১৭১৭ সালের পর থেকে ফ্রান্সের রাজা পঞ্চদশ লুইয়ের উদ্যোগে কৃষিকাজের সঙ্গে সঙ্গে পরিবহনের কাজেও ব্যবহৃত হতে থাকে পোইটু গাধা। এই সময় থেকেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বেড়ে যায় এই প্রজাতির গাধার কদর। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে যন্ত্র বা মোটরচালিত গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পোইটু গাধার চাহিদায় ভাঁটা পড়ে।

বিংশ শতকেও অন্তত ৩০ হাজার গাধার প্রতিপালন করা হত ফ্রান্সের পোইটু উপত্যকায়। একটা সময় নুন আর পশমের কারবারীদের কাছে দারুন কদর ছিল এই পোইটু গাধার। কারণ, এই প্রজাতির গাধার সারা শরীর বোঝাই ভারী পশমে। ভেঁড়ার পশমের মতো উত্কৃষ্ট মানের না হলেও, পোইটু গাধার পশমেরও যথেষ্ট চাহিদা ছিল। যে কারণে ইউরোপের অনেকেই পোইটু গাধার প্রতিপালন করতেন।

সে সময় মূলত ছাড়পোকা আর মশার কামড়ের হাত থেকে বাঁচাতে পোইটু গাধার চার পা মোটা কাপড়ে ঢেকে দিতেন তাদের মনিবরা যেগুলিকে দেখতে অনেকটা পাজামার মতো। এখন অবশ্য নুনের কারবারে প্রয়োজন হয় না পোইটু গাধার। ব্যবসার পরিবহণেও কাজে লাগে না এদের। তবে ঐতিহ্য মেনে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের খাতিরে এখনও পোইটু গাধাদের পাজামা পরিয়ে রাখা হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT