রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ১৫ জানুয়ারি ২০২১, ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০১:০৩ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ আড়াইহাজারে মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান, একজনের জেল ◈ আমার মেধা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলাকে ভালো কিছু উপহার দি‌তে চাই নবাগত জেলা প্রশাসক ◈ ঐতিহ্যবাহী গুটি খেলা অনুষ্ঠিত ◈ ধামইরহাটে বিট পুলিশিং কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, প্রান্তিক পর্যায়ে প্রদান করছেন আইনী সেবা ◈ পটুয়াখালীতে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর শুনে স্বামীরও মৃত্যু ◈ নতুন ঘর পাচ্ছে আশ্রয়ন কেন্দ্রের গৃহহীন-ভূমিহীন ১৫০ পরিবার, পরিদর্শণ করলেন এম.পি শহীদুজ্জামান ◈ শাহজাদপুর ইব্রাহিম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তির লটারি অনুষ্ঠিত ◈ লালমোহনে সরকারি ঘর পাচ্ছে ২০ পরিবার ◈ পটুয়াখালীতে ১০ বছরের শিশুকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে মামলা ◈ প্রবাসীদের অর্থায়নে কিছুটা হলেও উপকৃত কৈতক মেডিকেল

খুলনায় অপরিকল্পিত আবাসন জলাবদ্ধতায় বাড়ছে জনদুর্ভোগ

প্রকাশিত : ০৪:৫৭ AM, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ শনিবার ১১৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

খুলনা মহানগরীতে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠছে আবাসন। প্রায় প্রতিদিন শহরতলীর নিচু জমি ভরাট করে হচ্ছে ছোটো-বড়ো বাড়িঘর। অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘরসহ আবাসন নির্মাণের কারণে নগরীর জলাবদ্ধতার সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করছে। নগরবাসীর দুর্ভোগও বাড়ছে।

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) সূত্র জানায়, খুলনা মহানগরীর শুরুর দিকে শহরটির বিস্তার ছিল ভৈরব-রূপসার কোলঘেঁষে উত্তর-দক্ষিণ পর্যন্ত। ১৮৮৪ সালের ১২ ডিসেম্বর শহরটি পৌরসভায় উন্নীত হয়। এর ১০০ বছর পর ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট সিটি করপোরেশনে উন্নীত হয় শহরটি। তখন নগরীর আয়তন ছিল দৈর্ঘ্যে ২০ কিলোমিটার আর প্রস্থে মাত্র দুই কিলোমিটারসহ মোট ৪০ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে নগরীর আয়তন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫.৬৫ কিলোমিটার। প্রয়োজনের তাগিদে লোকজন নগরীর দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকের এলাকায় নতুন আবাসন গড়ে তুলছে। নতুন এলাকায় আবাসনের জন্য প্রতিদিন বিল ও নিচু এলাকা ভরাট করে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন।

সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার কোলঘেঁষে রূপসা সেতুমুখী সংযোগ সড়ক বরাবর নতুন নতুন বহুতল ভবন গড়ে উঠছে। সড়কের দক্ষিণ পাশে বটিয়াঘাটা এলাকায়ও নতুন নতুন অনেক স্থাপনা গড়ে উঠছে। নিরালার পশ্চিম দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের বাম পাশের নিচু এলাকায়ও বালু ভরাট করে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন। ভবনগুলো খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অনুমোদিত হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা একেবারেই নেই। বরং আগের নিষ্কাশন খালগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ হয়ে গেছে। অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর বেশিরভাগই অপ্রশস্ত। সড়কের ওপরই বিদ্যুত্ সরবরাহের জন্য বসানো হয়েছে খুঁটি। এতে সড়কের প্রশস্ততা প্রয়োজনের তুলনায় কমেছে। বসতি গড়ে তোলার সময় নিষ্কাশন খাল সংকুচিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) খুলনার সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান মুকুল বলেন, খুলনা মহানগরীর পরিধি এরই মধ্যে অনেক বেড়েছে। ৪৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শহরটি বেড়ে এখন ৮০ বর্গকিলোমিটার ছাড়িয়েছে। পদ্মা সেতু হওয়ার পর খুলনা মহানগরীর প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাবে। সে কারণে এখানে আবাসন খাতের পাশাপাশি শিল্প-কলকারখানা নির্মাণের জন্য আগ্রহীরা এবং আবাসনের প্রয়োজনেও মানুষ জমি কিনছে। অনেকে বাড়িঘর, দোকানপাট তৈরি করছেন। সে ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ আশরাফ-উজ-জামান বলেন, নগরীর পানি নিষ্কাশনে ব্যবহূত ময়ূর নদসহ ২২টি খাল থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে না পারায় নগরীতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এমনিতেই বেহাল। তার ওপর যে হারে নিচু ভূমিতে বসতি বাড়ছে, তা বিপদের ইঙ্গিত দেয়।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগরপরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ও ডিসিপ্লিন প্রধান বলেন, নগরীর তিন দিক দিয়ে এই নগরায়ণ হচ্ছে। এই নগরায়ণ হচ্ছে অপরিকল্পিতভাবে। এটাকে ঠিক নগরায়ণ বলা যায় না।

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামীম জেহাদ বলেন, যারা অপরিকল্পিতভাবে বালু ভরাট করে জমি বিক্রি করছে তাদের একটি তালিকা আমরা প্রস্তুত করছি। যখন তারা এখানে প্ল্যান পাশ করাতে আসবে তখন ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধা আছে কি না তা দেখা হবে। যদি না থাকে তবে প্ল্যান পাশ করা হবে না।

খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, কেডিএর অনুমোদন নিয়েই মানুষ বাড়িঘর তৈরি করছে। আমরা নগরবাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, যাতে বসবাসকারীরা প্রতিবেশীর সুবিধার্থে বাড়িঘর তৈরির সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা এবং নিষ্কাশন ড্রেন রাখে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT