রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:৫০ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ রায়পু‌রে ক‌মিউ‌নি‌টি পু‌লি‌শিং ডে-২০২০ উদযা‌পিত ◈ কাপাসিয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ◈ কটিয়াদীতে ট্রিপল মার্ডার : মা ভাইবোন সহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের ◈ হরিরামপুরে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে জখম ◈ কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০ উপলক্ষে মধ্যনগর থানায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ◈ রাসুলকে (সাঃ)’র অপমানের প্রতিবাদে কাপাসিয়া কওমী পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ ◈ টঙ্গীবাড়িতে ডাঃ আজিজুল হক ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ ◈ ঘাটাইলে কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ◈ নাগেশ্বরীতে গাঁজাসহ আটক-২ ◈ রক্ষাগোলা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নেতৃত্বের সাথে স্কুল শিক্ষকবৃন্দের মতবিনিময়

ক্যাসিনো সাম্রাজ্য তছনছ

প্রকাশিত : ০৮:০০ AM, ৭ অক্টোবর ২০১৯ Monday ১২০ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

Rapid Action Battalion (RAB) escort ruling party leader Ismail Hossain Samrat following his arrest in Dhaka on October 6, 2019. - A prominent Bangladesh ruling party politician with alleged links to the capital's underworld was arrested on October 6 in a sweeping anti-graft drive championed by the prime minister, amid corruption accusations against her government. (Photo by STRINGER / AFP)

সম্রাট বলে কথা। কী দাপটই না ছিল যুবলীগ নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের। যার ভয়ে তটস্থ থাকতেন ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। এই সম্রাট এখন বন্দি।

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান হয়েছে। অবশেষে রোববার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জশ্রীপুর গ্রাম থেকে ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট এবং তার সহযোগী একই কমিটির সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। কুমিল্লায় মনির চৌধুরী নামে একজন জামায়াত নেতা ও পরিবহন ব্যবসায়ীর বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সম্রাট ও আরমান। গ্রেফতারের পর সম্রাটকে ঢাকায় এনেই র‌্যাব গতকাল দিনভর তার কার্যালয় ও বাসায় অভিযান চালায়। অনেকে বলছেন, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার জন্য সীমান্ত এলাকায় ছিলেন তারা।

সম্প্রতি সবচেয়ে আলোচিত নাম সম্রাট। যাকে বলা হচ্ছিল ‘ক্যাসিনো সম্রাট’। অবৈধ জুয়া ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সারা দেশের মানুষ তাকিয়ে ছিল ক্যাসিনো সম্রাটের গ্রেফতারের দিকে। সম্রাটসহ আলোচিত ক্যাসিনো গডফাদারদের অন্তরালে যাওয়া নিয়ে এবং তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও কয়েক দিন ধরেই সরগরম আলোচনা চলছিল। সম্রাট গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে রোববার নগরীতে টক অব দ্য কান্ট্রি ছিল সম্রাটকে আটকের খবর। পাশাপাশি রোববার দুুপুর থেকে কাকরাইলে সম্রাটের কার্যালয় ঘীরে র‌্যাবের অভিযান শুরু হলে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

সম্রাটকে গ্রেফতারের পরপরই ঢাকায় র‌্যাব সদর দফতরে নেওয়া হয়। এরপর দুপুরেই অভিযান শুরু হয় ক্যাসিনো সম্রাটকে নিয়ে রাজধানীর কাকরাইলে তার নিজের যুবলীগের অফিসে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে পাওয়া যায় একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, মদ ও ক্যাঙারুর চামড়া ও টর্চার সেলে নির্যাতনের সরঞ্জাম। এ ছাড়া বিকালেই একযোগে র‌্যাবের পৃথক অভিযান চলে সম্রাটের শান্তিনগরের বাসায় ও মহাখালীর ডিওএইচএসের বাসায়। মহাখালীর এ বাসায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী থাকেন। যদিও দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী দাবি করেছেন দুই বছর ধরে তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে শারমিনের বক্তব্যগুলো নিজেকে ও সম্রাটের অর্থসম্পদ রক্ষার লক্ষ্যে চাতুরিপনা হতে পারে বলেও ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্রাটকে গ্রেফতারের পর তার অফিস ও বাসায় অভিযান নিয়ে অনেকেই মিশ্র মন্তব্য করেন। অনেকেই বলেছেন, যেখানে গত দুই সপ্তাহ ধরেই সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে সেখানে এত দিনে নিশ্চয় ওইসব স্থানে সম্রাটের স্বজন বা লোকজনরা অবৈধ কোনো কিছু রাখবে না। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলারই কথা। তারপরও কাকরাইলের অফিস থেকে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে।

কাকরাইলে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শেষে সন্ধ্যার দিকে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এবং র‌্যাব-১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফ. কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম বলেন, ক্যাসিনো সম্রাট খ্যাত যুবলীগ নেতা সম্রাটকে কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি জানান, সম্রাটকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড চাওয়া হবে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে নেপথ্যের গডফাদারদের নাম বের করার চেষ্টা করা হবে। সম্রাট যে ক্যাসিনোর সম্রাট হয়ে উঠেছেন, তার পেছনের গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষক কারা তাদেরও খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি জানান, সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযানে এক হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা, একটি বিদেশি অস্ত্র ও গুলি, বিদেশি মদ ও দুটি ক্যাঙারুর চামড়া জব্দ করা হয়।

কাকরাইলে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, এখানে কাউকে নির্যাতন করা হতো কি না, এটা আমরা পরবর্তী সময়ে তদন্ত করে দেখব। সম্রাটের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হচ্ছে। মাদক, অস্ত্র ও বন্যপ্রাণীর চামড়া রাখার অভিযোগে রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হবে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু করে র‌্যাব। এ অভিযানের শুরুর দিকেই যুবলীগের নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও জিকে শামীমসহ কয়েকজন নেতা গ্রেফতার হলে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধেও অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জনের অভিযোগ ওঠে।

অভিযানের প্রথম দিন থেকেই সম্রাট কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে কাকরাইলে তার নিজ কার্যালয়ে অবস্থান নেন। পরে তার অবস্থান ও আটক নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়। এরপর গত ২৩ সেপ্টেম্বর সম্রাটের ব্যাংক হিসাব স্থগিত ও তলব করা হয়। পর দিন তার বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। গত কয়েকদিন ধরেই সম্রাটের গ্রেফতার বা কোথায় আছেন তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ছিল।

রোববার দৈনিক সময়ের আলোতেও সম্রাটসহ বেশ কয়েকজন ক্যাসিনো গডফাদারদের নিয়ে ‘ক্যাসিনো গডফাদাররা হঠাৎ অন্তরালে’ শীর্ষক প্রধান শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। অবশেষে রোববার গ্রেফতারও হয়েছেন প্রভাবশালী এই যুবলীগ নেতা সম্রাট।

সম্রাট ও আরমানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাস করে সাজা : কুমিল্লা থেকে গ্রেফতারকৃত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে সম্রাটের সাজা হয়েছে তার কাকরাইলের অফিসে দুটি ক্যাঙারুর চামড়া পাওয়ার কারণে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইনে এবং কুমিল্লায় গ্রেফতারের সময় আরমান ‘মদ্যপ’ থাকায় তাকে সেখানেই ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়।

কাকরাইলে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান : রোববার দুপুরে সম্রাটের কাকরাইলের কার্যালয়টি ঘিরে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। সম্রাটকে সঙ্গে নিয়েই সেখানে অভিযান চালানো হয়। র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ অভিযানে অংশ নেন। পাশাপাশি ছিলেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ খবরে হইচই পড়ে যায়। যুবলীগ নেতা সম্রাটের কর্মীরা কার্যালয়ের সামনে ছুটে যেতে থাকে। বেলা দেড়টার আগেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায় যুবলীগ নেতা সম্রাটের কার্যালয়ের সামনের রাস্তা। ঝুম বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে অনেকে ছুটে আসে এবং দাঁড়িয়ে থেকে র‌্যাবের অভিযান লক্ষ করে। সবার চোখ ছিল যুবলীগের কার্যালয়ের দিকে। সম্রাটের কর্মীরা যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারে তার জন্য র‌্যাব সদস্যরা যুবলীগের কার্যালয়ের প্রধান গেটে অবস্থান নেন। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে একটি দল। এ সময় র‌্যাবের গাড়ি থেকে সম্রাটকে নামিয়ে হেলমেট পরিয়ে কার্যালয়ের ভেতরে নেওয়া হয়। এ সময় তার দুই হাতে হ্যান্ডকাফ পরা ছিল। এরপর দুপুর থেকেই চলে অভিযান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভবনটির ভেতরে মিডিয়াকর্মীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। সম্রাটের কাকরাইলের আস্তানা যুবলীগের কার্যালয় থেকে ১ হাজার ১৬০ পিস ইয়াবা, দুটি অবৈধ অস্ত্র (পিস্তল) দুটি ক্যাঙারুর চামড়া, ছয় রাউন্ড গুলি ও ১৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও দুটি ইলেকট্রিক শক মেশিন উদ্ধার করা হয়। এগুলো মানুষকে নির্যাতন করার কাজে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মহাখালীর বাসায় অভিযান : সম্রাটের আস্তানা কাকরাইল ছাড়াও তার মহাখালী ও শান্তিনগরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। রোববার বিকাল ৩টার দিকে মহাখালী ডিওএইচএসের ২৯ নম্বর সড়কে ও ৩৯২ নম্বরের সম্রাটের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তবে অভিযানের সময় মহাখালীর বাসায় তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, গত দুই বছর ধরে তার স্বামীর সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। মহাখালীর বাসা থেকে তেমন কিছু উদ্ধার করা হয়নি। মহাখালীর ডিওএইচএস বাসায় সম্রাটের স্ত্রী ও তার একমাত্র ছেলে থাকতেন। তবে ছেলে বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করছেন বলে জানা গেছে।

সম্রাটের শান্তিনগরের বাসায় অভিযান : শান্তিনগরের বাসাটি সন্ধ্যার দিকে ঘেরাও করে রাখে র‌্যাব। সেখানেও চলে অভিযান। রাজধানীর ১৩৮ এবং ১৩৮/১, ১৩৯ শান্তিনগরের রহমান ভিলায় সম্রাটের ফ্ল্যাট সি-তে অভিযান চালানো হয়। এই বাসায় সম্রাট না থাকলেও তার ভাই বাদল থাকেন। শান্তিনগরের বাসায় অভিযান চালানোর সময় পুরো বাসাটিতে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চালায় র‌্যাব-৩-এর একটি দল। ভবনটির সিকিউরিটি গার্ডের ভাষ্যমতে, এখানের একটি ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে থাকতেন সম্রাট। তবে প্রায় বছরখানেক ধরে তিনি নিয়মিত এখানে থাকতেন না। এরপর সেখানে থাকতেন সম্রাটের এক ভাই। চলতি ক্যাসিনোকাণ্ডের পর থেকে সম্রাটের ভাই এবং পরিবারের অন্য সদস্যরাও আর এ ফ্ল্যাটে থাকেন না।

সম্রাটের সহযোগী আরমানের বাসায় অভিযান : সম্রাটের অফিস ও বাসার পাশাপাশি তার সহযোগী যুবলীগ নেতা এনামুল হক আরমানের বাসায়ও অভিযান চালিয়েছে র‍্যাব। রোববার বিকালে তার মিরপুর-২-এর মসজিদ মার্কেটের ১৬ নম্বর বাড়িতে র‌্যাব অভিযান শুরু করে। টানা পাঁচ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে আরমানের বাসা থেকে তার সম্পত্তির কিছু দলিল ও ১২টি ব্যাংকের চেক উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সন্ধ্যায় কলাবাগানেও আরমানের আরেকটি বাসা ঘিরে অভিযান চালায় র‌্যাব। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখানকার সর্বশেষ খবর জানা যায়নি।

র‍্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, তার বাসা থেকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা দলিল ও বেশ কয়েকটি ব্যাংকের চেক বই উদ্ধার করা হয়েছে। তার মধ্যে ১০টি দলিল আরমানের দ্বিতীয় স্ত্রী বীথি বেগমের নামে এবং দুটি দলিল আরমানের নামে। আমরা তাকে খুঁজছি।

আরমান মিরপুরের সি-ব্লকের এই বাড়িতে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ও চার সন্তান মিলে থাকতেন। এ বাড়িতে তারা ভাড়া থাকতেন। আরমান মাঝেমধ্যে এখানে যাতায়াত করতেন। তার প্রথম স্ত্রীও এ বাড়িতে মাঝেমধ্যে আসতেন।

র‌্যাব ধারণা করছে, অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আরমানের স্ত্রী ও তার সন্তানরা বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন। হয়তো এ সময় নগদ টাকা ও অন্য কিছু সঙ্গে নিয়ে গেছেন। তবে তল্লাশির পর তার বাসার তিনটি রুম সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যাব।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT