রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:২৩ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মুক্তি পাওয়ার সাথেই সোশাল মিডিয়ার ব্যাপক সাড়া ধামইরহাটের কণ্ঠশিল্পী জাহাঙ্গীরের গানে ◈ ইনাতগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির আয়োজনে বিশ্ব করোনাকালীন সচেতনতা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত ◈ নজিপুর ইজি বাইক কল্যাণ সমিতির   বার্ষিক বনভোজন ◈ গোপালগঞ্জে দোলা পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ◈ মিম হত্যা বিচারের দাবীতে পত্নীতলায় মানববন্ধন ◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা ◈ ফুলবাড়ীয়া ২ টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরণ ◈ কাতারে ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের দোয়া মাহফিল

ক্যাসিনোর টাকা যায় বিদেশেও

প্রকাশিত : ০৭:৪৩ AM, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Friday ২৫৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ঢাকার ক্যাসিনো জগতের অর্থ দেশের বাইরেও পাচার করা হয়। নামে-বেনামে বিভিন্ন কৌশলে ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িতরা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাঠিয়েছে বলে তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এমনকি রাজধানীর ক্যাসিনো-সম্রাটদের কেউ কেউ বিদেশেও ক্যাসিনোর ব্যবসা খুলে বসেছেন। এরই মধ্যে বুধবার রাতে গ্রেফতার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি লোকমান হোসেন ভূঁইয়ার বিদেশে টাকা পাচারের তথ্য মিলেছে। এ ছাড়া ঢাকার ক্যাসিনো নিয়ন্ত্রণকারী ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও মমিনুল হক সাইদ অর্থ পাচার করেছেন। এর মধ্যে সম্রাট সিনেমা প্রযোজনার কথা বলে কোটি কোটি টাকা পাচার করেন।

পুলিশ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অসাধু সদস্যদের ম্যানেজ করে বছরের পর বছর চলে আসছিল ক্যাসিনোর কারবার। তবে ক্যাসিনো ঘিরে রাজধানীতে যে অভিযান শুরু হয়েছে, সেই ‘ঝড়ে’ ফেঁসে যাচ্ছেন অনেকে। এরই মধ্যে বিভিন্ন খাতের দুর্নীতিবাজদের মুখোশ উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। এদিকে, চলমান অভিযানে গ্রেফতার চারজনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে চারটি মামলা হয়েছে। ওই মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।

সিআইডির ডিআইজি ইমতিয়াজ আহমেদ সমকালকে বলেন, চলমান অভিযানে গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে গ্রেফতারদের সহযোগীদের নাম এলে তাদেরও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ জানা হবে। আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

র‌্যাব-২-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ সমকালকে বলেন, দেশে-বিদেশে একাধিক ব্যাংকে লোকমানের কোটি কোটি টাকা জমা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। অর্থ-সংক্রান্ত আরও কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

এদিকে, ক্যাসিনোসহ যে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতি ও মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে পুলিশের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এরই মধ্যে ডিএমপির কমিশনার শফিকুল ইসলাম ঢাকার সব থানার ওসিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ ছাড়া গতকাল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এবং সিটিটিসির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। সেখানে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, মানুষ নিঃস্ব হয়, এ রকম কোনো কাজের সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা জড়িত থাকলে তা বরদাশত করা হবে না। জনগণের ভেতরে পুলিশ সম্পর্কে ভীতি সৃষ্টি হয় এমন কোনো কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকতে হবে। পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পোস্টিংয়ের জন্য কোথাও তদবির করবেন না। ভালো কাজ করলে তাকে অবশ্যই পুরস্কৃত করা হবে।

এরই মধ্যে জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের দুই সদস্যকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া ডিবির দুই সদস্যকে করা হয়েছে স্ট্যান্ডরিলিজ।

দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, ডিএমপির নতুন কমিশনার ক্যাসিনো, ডিজে পার্টি ও মাদকের বিরুদ্ধে তার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা মাঠ পর্যায়ের ফোর্সদের জানিয়ে দিয়েছেন। আগে কেন ক্যাসিনো বন্ধ করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িতরা যত শক্তিশালী হোক, তাদের আর এ জাতীয় কারবার চালাতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফাইভ স্টার হোটেলে পার্টি চলতে দেওয়া হবে, তবে তা বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই হতে হবে। সেখানে পার্টির নামে অশ্নীলতা করতে দেবে না পুলিশ।

পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ঢাকার বিভিন্ন থানার ওসিদের আমলনামা পর্যালোচনা করে দেখা হবে। যারা নতুনভাবে ওসি হওয়ার যোগ্য, তাদের ফিটলিস্ট তৈরি করবে প্রশাসন। নানা অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে থানায় ওসির দায়িত্ব পালন করছেন এমন ওসির মধ্যে ১২-১৩ জনকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। ওসি নিয়োগ ও অন্যান্য কর্মকর্তার পদায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা দেখাতে চান তারা।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, সূত্রাপুরে স্থানীয় দুই আওয়ামী লীগ নেতা এনামুল হক এনু ও রুপন ভূঁইয়ার বাড়ি থেকে কোটি কোটি টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারের পর আরও অনেকের ব্যাপারে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় মানি লন্ডারিং, অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে সাতটি মামলা হয়েছে। মামলাগুলোর আসামি পলাতক এনামুল, রুপন, আবুল কালাম আজাদ ও হারুন অর রশিদকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

খালেদা জিয়ার বডিগার্ড থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক :র‌্যাব জানায়, একসময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বডিগার্ড ছিলেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। তিনি একাধারে ক্লাবটির ডিরেক্টর ইনচার্জও ছিলেন। বুধবার রাতে লোকমানকে তার মণিপুরিপাড়ার বাসা থেকে গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ক্যাসিনো থেকে আয় করা ৪১ কোটি টাকা তিনি দেশে-বিদেশের একাধিক ব্যাংকে রেখেছেন। অস্ট্রেলিয়ার এএনজেড ও কমনওয়েলথ ব্যাংকে টাকা রেখেছেন লোকমান। তবে তার বৈধ আয়ের সঙ্গে এত টাকার মালিক হওয়ার বিষয়টি সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র?্যাব-২-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, লোকমানের এক ছেলে অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেন। সেটার সুযোগ নিয়ে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় দুটি ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। বৈধ-অবৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠাতেন। যখনই পাঠাতেন, একসঙ্গে ১২ হাজার ডলার পাঠাতেন। প্রায়ই লোকমান অস্ট্রেলিয়া যেতেন।

মাসে ২১ লাখ টাকা :মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি ও যুবলীগ নেতা এ কে এম মমিনুল হক সাইদ। এ জন্য প্রতিদিন ৭০ হাজার টাকা ভাড়ায় তাকে ক্লাবের ঘর বরাদ্দ দেন লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। এ হিসাবে ক্যাসিনো থেকে তার প্রতি মাসে আয় ছিল ২১ লাখ টাকা। র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, প্রতি মাসে ক্যাসিনো থেকে এক টাকা আয় করলেও আর কাকে এর ভাগ দিয়েছেন, সেটা এখনও প্রকাশ করেননি লোকমান।

নব্বই দশকে মোসাদ্দেক আলী ফালুর হাত ধরেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। পরে দায়িত্ব নেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পদের। আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। একসময় লোকমান বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতেও ছিলেন। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। তিনি বর্তমানে বিসিবির পরিচালক ও বোর্ডের ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান। তাই লোকমানের গ্রেফতারে বিব্রত বিসিবি। ২০১২ সাল থেকে মোহামেডানের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কমিশনের বিনিময়ে সরকারের ঘনিষ্ঠ একজন লোকমানকে ‘ছায়া’ দিয়ে আগলে রাখছিলেন। সবাইকে কিছু ম্যানেজ করে অর্থের কুমির হয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় গড়ে তোলেন ‘সেকেন্ড হোম’। রাজধানীর ক্যাসিনো-সাম্রাজে যারা জড়িত ছিল, তাদের অনেকের সঙ্গে সখ্য ছিল লোকমানের।

র‌্যাব সূত্র জানায়, একাধিক বাড়ি-গাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের মালিক লোকমান। ঢাকায় তার ৪০ কোটি ৩০ লাখ টাকার বাড়ি ও জমি রয়েছে। এর মধ্যে উত্তরার ছয়তলা ও মণিপুরিপাড়ার সাততলা বাড়ি। ঢাকা কমিউনিকেশন্স লিমিটেড নামে তার একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা রয়েছে। নিজের ট্রাভেল এজেন্সি রয়েছে; আছে মোবাইল ফোন কোম্পানির টাওয়ার তৈরির প্রতিষ্ঠান। ওমরাহ ও হজ ট্রাভেলসের একটি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন থাকলেও সেটি এখনও চালু হয়নি। এ ছাড়া ব্যাংক হিসাব ও স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসাবে রয়েছে আরও দুই কোটি ৪০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় ৫২ শতাংশ জমি রয়েছে লোকমানের।

সাত দিন পালিয়ে ছিলেন লোকমান :গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যাসিনোবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরুর দিনই গা-ঢাকা দেন লোকমান। সেদিন থেকেই তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হয়। তার মণিপুরিপাড়ার বাড়িসহ সম্ভাব্য এলাকায় সাদা পোশাকে নজরদারি শুরু হয়। এর মধ্যে বুধবার রাতে তিনি বাসায় ফেরেন। রাত ১০টার দিকে বাসা ঘিরে ফেলেন র‌্যাব সদস্যরা। ঘণ্টাখানেক পর বাসায় ঢুকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় পাঁচ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। বাসায় মদ রাখা বা মদপানের কোনো অনুমতি তার ছিল না। মোহামেডান ক্লাবের পরিচালনা কমিটি এক বিশেষ সভায় ক্যাসিনো চালানোর জন্য ঘর ভাড়া দেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন করে। এতে লোকমান ছাড়া কমিটির অন্যদের সংশ্নিষ্টতা আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

কারা কোন ক্লাবে :জানা যায়, ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাবের মালিকানা ছিল যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার। ওই ক্লাবে ক্যাসিনো থেকে চাঁদা আদায়কারীও ছিলেন তিনি। তবে ইয়ংমেনসের চাঁদার একটি বড় ভাগ যেত যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের পকেটে। দু’দিন ধরে সম্রাট কোথায় রয়েছেন, তা নিয়ে আছে নানা ধূম্রজাল। ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের মালিকানা রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোবাশ্বের চৌধুরীর। ওই ক্লাব থেকেও চাঁদার ভাগ যেত সম্রাটের হাতে। মতিঝিল দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবের মালিকানা ছিল কাউন্সিলর মমিনুল হক সাইদ ও আবদুল মান্নানের। ওই ক্লাবের ক্যাসিনোর টাকা পেতেন সম্রাট, মমিন ও আরমান। আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের মালিকানা ছিল কাউন্সিলর মমিন ও ইয়াকুব আলীর। সেখানকার ক্যাসিনোর টাকা পেতেন সম্রাট, মমিন ও শাহাদাত হোসেন। আজাদ বয়েজ ক্লাবের মালিকানা ছিল এ কে এম নাছির উদ্দিন ও হাসান উদ্দিন জামানের। জামান ছাড়াও ক্লাবের ক্যাসিনো থেকে টাকা পেতেন মমিনুল হক সাইদ। ভিক্টোরিয়া ক্লাবের মালিকানা ছিল কাজল ও তুহিনের; আর ক্যাসিনো থেকে টাকা কামাতেন সম্রাট, আরমান ও খোরশেদ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT