রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০, ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৫:৩৩ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইভাই নিহত ◈ রাজশাহী মহিলা পলিটেকনিক এর অধ্যক্ষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করলেন কারিগরি শিক্ষার ফেরিওয়ালা তৌহিদ ◈ নাটোরে সুগার মিল শ্রমিকদের কাফনের কাপড় বেঁধে অবস্থান ◈ নওগাঁয় সাংবাদিক পাভেলের পিতার রুহের মাগফেরাতে দোয়া মাহফিল ◈ ধামইরহাটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারকে পূনর্বাসন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান ◈ নাটোরে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক ১ জন জেল হাজতে ◈ পরিসংখ্যানের প্রয়োগ অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে: রাষ্ট্রপতি ◈ করোনায় প্রধানমন্ত্রী সকল সেক্টরকেই সহায়তা করছেন: তোফায়েল ◈ দেশে করোনায় আরও ২১ জনের মৃত্যু ◈ রোহিঙ্গা নৃশংসতার বিচার নিশ্চিত করতে নেদারল্যান্ডস দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: স্টেফ ব্লক

ক্যাসিনোর উপকরণ আমদানির তদন্ত শুরু

বাংলাদেশ ব্যাংক বেশকিছু তথ্য পেয়েছে * এনবিআরের পক্ষ থেকেও তদন্ত হচ্ছে

প্রকাশিত : ০৬:১৪ AM, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Thursday ২৪০ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ক্যাসিনোর উপকরণ আমদানির তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ইতিমধ্যে তারা কয়েকটি ব্যাংক থেকে এ বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে। কোন ব্যাংকের মাধ্যমে কারা এবং কি পরিমাণে এসব উপকরণ আমদানি হয়েছে সে বিষয়গুলো দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একইসঙ্গে এর বিপরীতে কি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করা হয়েছে সে তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক গোয়েন্দা থেকেও ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। এসব উপকরণ আমদানির সময় ঋণপত্রে ও কাস্টমসে কি ঘোষণা দেয়া হয়েছে সে বিষয় খতিয়ে দেখছেন তারা। সূত্র জানায়, প্রচলিত বিধি ভঙ্গ করে কোনো ব্যাংক এসব ঋণপত্র খুলে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সঙ্গে যেসব আমদানিকারক বেআইনিভাবে এসব পণ্য আমদানি করেছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, দেশে ক্যাসিনো পরিচালনার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে কোনো নীতিমালাও নেই। দেশের যেসব স্থানে ক্যাসিনো পরিচালিত হচ্ছে তার পুরোটাই বেআইনি।

এদিকে আমদানি নীতি অনুযায়ী যে ধরনের ব্যবসার কোনো বৈধতা দেশে নেই, ওই ধরনের ব্যবসার উপকরণ আমদানিরও কোনো বৈধতা নেই। তাই ক্যাসিনোর উপকরণ আমদানি করা অবৈধ। আমদানি নীতিতে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের একটি তালিকা দেয়া আছে।

ওই তালিকায় ক্যাসিনোর উপকরণের কোনো নাম নেই। তবে নীতিতে বলা আছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয় এমন কোনো পণ্য আমদানি করা যাবে না। ক্যাসিনো বা জুয়া যেহেতু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয় সে কারণে এ ধরনের পণ্য আমদানি করা যাবে না।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনো পণ্যের এলসি খোলার সময় পণ্যের নাম, এর শনাক্তরণ নাম্বার, কি কাজে ব্যবহৃত হবে এসব তথ্য উল্লেখ করতে হয়। এখন এগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে সম্প্রতি এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেছেন, কাস্টমস পণ্য খালাসের সময় আগে দেখে- আমদানি নীতিতে কী আছে। সেখানে আমদানি নিষিদ্ধ যেসব পণ্য আছে- যেমন ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে তা নিষিদ্ধ করা আছে, এমন পণ্য থাকলে তারা ছাড় করে না। এর বাইরে অন্য পণ্য থাকলে ছাড় করে দেয়। কিন্তু আমদানি নীতিতে সুনির্দিষ্টভাবে ক্যাসিনোর কথা বলা নেই। ক্যাসিনো সামগ্রী যে দেশে আসবে এটাই তো কল্পনার বাইরে ছিল। ফলে কাস্টমসের অজান্তেই এসব পণ্য দেশে এসেছে।

তিনি বলেন, দেশে সীমিত আকারে কিছু হোটেল ও ক্লাবে মদ-বিয়ার বিক্রি ও আমদানির অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ জাতীয় পণ্যের আমদানিতে উচ্চ শুল্ক-কর আরোপিত আছে। কিন্তু জুয়ার ব্যাপারটি বৈধ নয়। বিভিন্ন ক্লাবের নামে ক্যাসিনো চালানোর বিষয়টি সত্যি কথা বলতে জানতামই না। এগুলোতে কীভাবে যন্ত্রপাতি (জুয়া খেলার সামগ্রী) এসেছে সেটা খতিয়ে দেখতে শুল্ক গোয়েন্দাকে বলা হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কারা এ ধরনের যন্ত্রপাতি আমদানি করেছে, কীভাবে এনেছে তা যাচাই করতে বলেছি।

সূত্র জানায়, যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খুলে ক্যাসিনোর যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- সাউথইস্ট ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। আমদানিকারক হিসেবে রয়েছে- এ থ্রি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, পুষ্পিতা এন্টারপ্রাইজ, নিনাদ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালসহ আরও কিছু প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ এ তিন বছরে চীন থেকে ক্যাসিনো চিপস, ক্যাসিনো কয়েন, ক্যাসিনো টেবিল ও পোকার টেবিলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করেছে।

জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ক্যাসিনোর নামে কোনো উপকরণ আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়নি। খেলার উপকরণ হিসেবে এগুলো আমদানি হয়েছে।

এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সহিদুল ইসলাম বলেন, গত ৩ বছরে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ক্যাসিনো সামগ্রী আমদানি করেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের আমদানির তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যারা আমদানি করেছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ বিষয়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT