রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০১:১৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ পরকীয়া সন্দেহে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কর্তন, স্ত্রী আটক ◈ নবীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন ২০২১ প্রতিযোগীতা সফলে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ◈ ভালুকায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত এক আহত ছয় ◈ ধামইরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহার আলী আর নেই, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন ◈ ধামইরহাটে পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরদের বিদায় ও বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ◈ রায়পুরে আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশ‌তেহার ঘোষণা ◈ না.গ‌ঞ্জে বিদ‌্যুৎস্পৃ‌ষ্টে ইউ‌পি চেয়ারম‌্যা‌নের ভাই‌য়ের মৃত‌্যু ◈ দীর্ঘদিন সরকারে থাকায় সব খাতে উন্নয়ন হচ্ছে ◈ যুক্তরাষ্ট্রে অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের নথিভুক্তের অনুরোধ মোমেনের ◈ করোনার টিকা নিলেন রওশন এরশাদ

কেউ জানে না কী হচ্ছে

প্রকাশিত : ০৬:১৯ AM, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯ মঙ্গলবার ৩৫৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতাকে পদ থেকে অপসারণের রেশ কাটতে না কাটতে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ড ও অপরাধের অভিযোগে যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে চলছে অভিযান। এরই মধ্যে ফ্রিডম পার্টি থেকে যুবলীগের নেতা বনে যাওয়া খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও যুবদল থেকে যুবলীগে আসা জি কে শামীমের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যে মিলছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। রাঘববোয়াল থেকে শুরু করে চুনোপুঁটি সবাই মিলে কীভাবে একেকটা অপকর্মের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে তা নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে।

দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ক্যাসিনো কালচার ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে চলমান এ অভিযান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। সাধারণ মানুষ এ অভিযানকে স্বাগত জানালেও এ ধরনের অভিযান কেন আরও আগে চালানো হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলোর অনেক নেতাকর্মীর মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শুধু রাজনৈতিক দল নয়, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান অনেক পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দফতরের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে ভয়। কী হয়, কী হয়- এমন ভাবনায় তারা দুরু দুরু। বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাদের মাঝেও ভয়-সংশয় ঢুকেছে। চলমান এ শুদ্ধি অভিযানের ব্যাপ্তি, পরিসর কী হবে- এ নিয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দিতে পারছে না সরকারের নীতিনির্ধারকরা। তারা বলছেন, একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই জানেন এ অভিযান কতদূর পর্যন্ত চলবে।

জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী এখন যুক্তরাষ্ট্রে। নিউইয়র্কের উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়ার আগেও তিনি বলে গেছেন, মাদক, অনিয়ম, দুর্নীতির চক্র না ভাঙা পর্যন্ত এ শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকবে। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে এয়ারপোর্টে কথা হয়েছে, সবার সামনে তিনি বলেছেন এ ব্যাপারে। গডফাদার বলেন, অপরাধী যত বড়ই হোক, যে মাদকের সঙ্গে জড়িত, টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি যারা করবে, তাদের পরিচয়- তারা কোন দলের সেটা বিবেচ্য নয়, তারা সরকারি দলের হলেও ছাড় দেওয়া হবে না।’ কাদের জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে যেন কোনো আপস না হয়, আমি অনুপস্থিত থাকলেও যেন তা কন্টিনিউ হয়।

এর আগে, গত সপ্তাহে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অপসারণের নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। মূলত জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন দাবি, টাকার বিনিময়ে কমিটি দেওয়াসহ নানা অভিযোগে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। একই বৈঠকে যুবলীগের কর্মকা-ের কঠোর সমালোচনা করে অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ার দেন তিনি। ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করে দল ও সংগঠনের কিছু নেতা ‘মনোস্টার’ বা দৈত্যে পরিণত হয়েছে- এমন মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।

সরকারপ্রধানের এ হুঁশিয়ারির চারদিনের মাথায় গত বুধবারে যুবলীগের ক্যাসিনো সাম্রাজ্যে প্রথম হানা দেয় র‌্যাব। এ অভিযানের মধ্য দিয়ে রাজধানীর বুকে অবৈধ ক্যাসিনো বাণিজ্যের রমরমা চিত্র অবমুক্ত হয়। হতবাক হতে হয় সবাইকেই। সবার চোখের সামনেই বছরের পর বছর ক্যাসিনো চললেও কেউ কিছুই জানল না? খোদ যুবলীগ চেয়ারম্যান প্রশ্ন করে বসলেন, এতদিন কি র‌্যাব-পুলিশ বসে বসে আঙুল চুষেছিল? অবৈধ ক্যাসিনো চালানোর অন্যতম হোতা ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেফতার হওয়ার পর দিতে শুরু করলেন চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। জানা গেল, ঢাকার এক সময়কার খেলার মাঠের জমজমাট ক্লাবগুলো পরিণত হয়েছে ক্যাসিনোতে। ৬০টির মতো ক্যাসিনো চলছিল যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও কৃষক লীগের একডজন নেতার নিয়ন্ত্রণে। ঢাকায় ক্যাসিনো কালচারের একচ্ছত্র অধিপতি ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী। তার ছায়াতেই কোটি কোটি টাকার অবৈধ ক্যাসিনো বাণিজ্য চলছিল।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, ফকিরাপুলের ইয়াংমেনস ক্লাব ছাড়াও মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় মোহামেডান, আরামবাগ, দিলকুশা, ওয়ান্ডারার্স, ভিক্টোরিয়ায় ক্যাসিনো ছিল। এর মধ্যে ইয়াংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া। বাকি পাঁচটি ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট। তবে সম্রাট নিজে সরাসরি ক্যাসিনো দেখাশোনা করতেন না। এসব ক্যাসিনো পরিচালনায় সাত যুবলীগ নেতার নাম এসেছে। এই সাতজনের দুজন এসেছেন ফ্রিডম পার্টি থেকে, দুজন বিএনপি থেকে, একজন জাতীয় পার্টির এবং একজন ছিলেন হোটেল বয়। তবে সাতজনের মধ্যে একজনই শুরু থেকে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বাকি ছয়জনই যুবলীগে অনুপ্রবেশকারী।

তারা হলেন- যুবলীগ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, সহসভাপতি এনামুল হক আরমান, সহসভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপন, সহসভাপতি সরোয়ার হোসেন মনা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ও নির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের মধ্যেই গত শুক্রবার টেন্ডারমোঘল নামে পরিচিত জে কে শামীমের ডেরায় অভিযান চালায় র‌্যাব। প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা ও ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং ৭ দেহরক্ষীসহ শামীমকে গ্রেফতার করা হয়। যুবদল থেকে যুবলীগ নেতা বনে যাওয়া শামীমের উত্থান রূপকথাকেও হার মানাচ্ছে। মন্ত্রী, এমপি, সচিব, ক্ষমতাসীন দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা, পুলিশ, বিরোধী দলের শীর্ষ নেতা, সাংবাদিক সবাইকে ম্যানেজ করে কীভাবে টেন্ডার বাগাতে হয়- সবটাই ছিল তার নখদর্পণে।

ম্যানেজমাস্টার শামীমের গ্রেফতার তাই সুবিধাবাদি, দুর্নীতিবাজদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দিয়েছে। সবার মনে একটাই প্রশ্ন- এ শুদ্ধি অভিযান কতদিন চলবে, কতদূর পর্যন্ত যাবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে এ ধরনের অভিযান নানা সময়ে হয়েছে। বিশেষ করে সামরিক কিংবা অনির্বাচিত সরকারের প্রথম দিকটাতে দুর্নীতি, অনিয়ম কিংবা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের রেওয়াজ দেখা গেছে। কিন্তু গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে এ ধরনের অভিযান নানা কারণেই বিরল। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় আছে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলসহ নানা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। দারিদ্র্য বিমোচনসহ সামাজিক নানা সূচকে দৃশ্যমান উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে। অথচ দলের মধ্যেকার সুবিধাবাদী ও ব্যক্তিস্বার্থপর নেতারা দুর্নীতিসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত। সুযোগ বুঝে বিভিন্ন দফতরের সরকারি কর্মকর্তারাও বড় বড় দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। রূপপুরে বালিশকাণ্ড, ফরিদপুরের পর্দা কাণ্ডসহ দুর্নীতির ঘটনাগুলোতে সরকার ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছে। অথচ এত উন্নয়ন কর্মকা-ের পরও সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা ছিল না সরকারের জন্য। টানা ক্ষমতায় থাকার কারণে অনেকেই ‘দানব’ হয়ে উঠেছে। তাদের কারণেই সরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করা যাচ্ছিল না। এ সব অপকর্ম বন্ধ করার জন্য তাদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তারা ধরাকে এতটাই সরা জ্ঞান করতে শুরু করে যে, এ সব সতর্কতাকে কোনো আমলেই নেয়নি। ক্ষমতাসীন দলের কয়েক প্রভাবশালী নেতা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে যাচ্ছিলেন। তাই হঠাৎ করেই অভিযান শুরু হওয়ায় তাদের চোখেও দুশ্চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে। তবে শুদ্ধি অভিযানে এ সব গডফাদারকে আদৌ ধরা হবে কি-না তা নিয়ে জনমনে সংশয় থাকছেই।

এদিকে ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে আসা অবৈধ আয় বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার কাছেও যেত বলে গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে। এর ফলে চলমান অভিযানের টার্গেট তারাও হবেন কি-না এ নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, দলীয় সভাপতি ও সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন যাচাই করে এ অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এ ধরনের সমস্যা নিয়ে দলের মধ্যে আগে থেকেই আলাপ-আলোচনা চলছিল। আওয়ামী লীগে একটা বড় অংশের নেতাকর্মীর মাঝে কিছু নেতাকর্মীর অপরাধে জড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা ছিল অনেকদিন ধরে। এ সব বিষয়ে জড়িতদের আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বার বার সতর্ক করার পরও পরিবর্তন না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী এখন কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘নেত্রী দল বা সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল বা নেতাদের ব্যাপারে অনেকের কাছ থেকে তথ্য নেন। কর্মীদের কাছে থেকে তথ্য নেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আছে, তাদের কাছ থেকেও তথ্য নিয়েছেন। যখন সীমা লঙ্ঘন করছে, তখন তিনি নানাভাবে চেষ্টা করেছেন, এদের নিবৃত্ত করার জন্য। তারা নিবৃত্ত না হয়ে ওই পথে আরও এগিয়েছে, তখন উনি বাধ্য হয়ে অভিযান চালাচ্ছেন।’

চলমান এ অভিযান নিয়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন গণমাধ্যমে বলেছেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যে অভিযান শুরু হয়েছে আশা করি এটা শেষ পর্যন্ত চলবে। এ ধরনের অভিযান আগেও হয়েছিল কিন্তু দেখা গেছে যে মাঝ পথে এসে থেমে যায়। এবার প্রধানমন্ত্রী নিজেই শক্ত অবস্থানে আছেন। তার দল ও অঙ্গ-সংগঠনগুলোর শুদ্ধিকরণের কথা বলছেন। তার নির্দেশেই এসব অভিযান চলছে। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, তিনি যা শুরু করেছেন এটার শেষ পর্যন্ত তিনি যাবেন। যারাই এসবের সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন।

তিনি বলেন, এ অভিযান নিয়ে যেন নতুন করে আতঙ্ক না ছড়ায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। কারণ, এমনিতেই জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ক্রসফায়ারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে আছে সাধারণ মানুষ।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT