রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১০:৪৬ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ভূঞাপুরে চার মোটরসাইকেল চালককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ◈ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নার্সদের অবহেলায় ২ শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ◈ চিরিরবন্দরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ ◈ শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের বেসিনে নেই সাবান-পানি, এক বছরেই ব্যবহার অনুপযোগী ◈ ফুলবাড়ীয়ায় হাত ভাঙা বৃদ্ধা ও হাসপাতাল শয্যায় অসহায় রোগীকে অর্থ সহায়তা প্রদান ◈ আড়িয়াল বিলে অস্থায়ী হাঁসের খামার ◈ সিঙ্গাইরে সুশিল সমাজ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় ◈ আশুলিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী তৈরি ◈ শ্রীনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাকেল আরোহীর মৃত্যু ◈ কালিগঞ্জের পল্লিতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মোটর সাইকেল মেকানিকের মৃত্যু

কলাপাড়ায় লালুয়া ইউনিয়নে লালমিয়ার জীবন ভিক্ষায় চলে,তবুও জোটেনি বয়স্ক ভাতা

প্রকাশিত : ০৫:১৯ PM, ৫ ডিসেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার ২২৪ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

মোঃপারভেজ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ “ মোগো কপাল পোড়া বুড়া বয়সে ভিক্ষা করি,কেউ মোগো ভাতা দ্যায় না। আর কত বয়স হইলে মোরা বয়স্ক ভাতা পামু , হাটতে পারি না,এক বেলা খাই আর দুই বেলা না খাইয়া থাকি মোরা বাইচা আছি না মইরা গেছি হেইয়া কেউ খোঁজ নেয় না।মেম্বরের ধারে গেছি হে মোগো কিছুই কয় না। ভিক্ষা করিয়া যা পাই তা দিয়া মোরা খাই।

শরীলে বল নাই। সরকার এতো কিচু দেয় মোগো কিচুই দেয় না।কান্না জনিত কন্ঠে এ কথা বলেন কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ছোনখোলা গ্রামের ৭০ বছরের বৃদ্ধ লাল মিয়া মৃধা।জানা যায়, ছোনখোলা গ্রামের মৃত করিম মৃধার ছেলে লাল মিয়া। এক ছেলে, দুই মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে বেশ ভালই কাটছিল তাদের সংসার। মেয়েদের বিয়ে দেয়ার পর অনেকটা নি:স্ব হয়ে পড়েন তিনি।

বয়সের ভারে বন্ধ হয়ে যায় আয় রোজগার। ছেলে বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। বেশ কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর স্ত্রীও তাকে ফেলে চলে যায়। কোন উপায়ন্ত না পেয়ে ক্ষুধার তাড়নায় নেমে পরেন ভিক্ষায়।পরে বার বার বয়স্ক ভাতার জন্য মেম্বর চেয়ারম্যানের কাছে ধর্না ধরেছেন। অনেক আকুতি মিনুতির পরেও তার ভাগ্যে যোটেনি বয়স্কভাতা।

কোমর সোজা করে দাড়ানোর শক্তি নেই। বয়সের ভারে অনেকটা নুয়ে চলতে হয় তাকে। শরীরের চামড়ায় ঘোচ পড়ে গেছে। শরীরে অনেক রোগের বাসা বেধেছে। বর্তমানে ভিক্ষা করে কোন রকম খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন তিনি। বেশি দুর পর্যন্তু হাটতেও পারেননা। ভিক্ষা করে যে টাকা পান তা দিয়ে কোন রকম জোগাড় হয় দুবেলার খাবার।

এক বেলা থাকেন না খেয়ে।লাল মিয়া জানান, আয় রোজগার বন্ধ হওয়ার পর পরিবারের সবাই আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।বয়স্ক ভাতার জন্য চেয়্যারমানের কাছে গিয়েছি। কয়েকবার মেম্বরের বাড়ি পর্যন্ত গেছি। তারা শুধু বলে হবে। মনে হয় আমি মরার পর হবে।ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বিশ্বাস তপন জানান, ষাট বছরের উপরে যাদের বয়স হয়েছে, তাদের নাম লিষ্ট করে ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেয়ার জন্য ইউপি সদস্যদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আর লাল মিয়ার নাম লিষ্ট হয়েছে।

আশা করছি সে বয়স্ক ভাতায় অন্তর্ভুক্ত হবে।কলাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান,বয়স্ক ভাতার তালিকায় নাম অর্ন্তভুক্ত করার একমাত্র এখতিয়ার ইউনিয়ন কমিটির। ইউনিয়ন কমিটি লাল মিয়ার নাম মিয়ার নাম অন্তর্ভুক্ত করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT