রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৭:১৩ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ধামইরহাটে ফ্রি ডেন্টাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত, পুরো উপজেলাকে সেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা ◈ ধামইরহাট প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ফিজিওথেরাপী প্রদান ◈ ধামইরহাটে যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া ৫৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ◈ আসছে মানিকের ‘ফরিয়াদ’ ◈ শাহজাদপুরে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন! মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে অপর ভাই ◈ মিনি কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ ◈ সাংবাদিক বোরহানউদ্দিন মোজাক্কির কে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন পালিত ◈ মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে কুমিল্লা বিভাগীয় বিএনপির সভা অনুষ্ঠিত ◈ তিতাসে ডাকাত প্রতিরোধে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন ছাত্রলীগ ◈ কালিহাতীতে রেল লাইনে ফাটল! ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গতিসীমা ১০ কিলোমিটার

কমল- মমতা দম্পতির সংগ্রামী জীবনের গল্প।

প্রকাশিত : ০২:০১ PM, ১৮ জানুয়ারী ২০২১ সোমবার ৫৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

শিমুল আলী

“কোনদিনও কোন কালেও পুরুষের তরবারী একলা হয়নিকো জয়ী শক্তি দিয়েছে প্রেরণা দিয়েছে বিজয় লক্ষী নারী। রাজা করিছে রাজ্য শাসন রাজারে শাসিছে রানী, রানীর শাসনে ধুয়ে মুছে যাবে রাজ্যের যত গ্লানি” কবি নজরুলের এ কবিতার প্রতিচ্ছবি যেন কমল – মমতা দম্পতি।

পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা কমল সরকার (৪৫) নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের ভবেস সরকারের ছেলে।বাবা ভবেস সরকারের দারিদ্রতার কারনে কমলের ভাগ্যে লেখা পড়া জোটেনি জন্মের পর হতে পরের জমিতে কাজ করত
কিন্তু ২০০৫ সালে তার পায়ে ইনফেকশনের কারণে দু পা কেটে বাদ দিতে হয়। তারপর থেকে জীবন সংগ্রামে স্বামী-স্ত্রী লড়ছে একসাথে। স্থানীয় নওপাড়া বাজারে ১৭ বছর যাবত পিঁয়াজি, পিঠা বিক্রি করে চলছে তাদের সংসার। তার কোন পুএ সন্তান নাই কন্যা সন্তান ওসহ ধর্মিনি মমতাকে নিয়ে করোনা কালীন সময় থেকে চরম দূর্দশার মধ্যদিয়ে দিনাতিপাত করে যাচ্ছে তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার নওপাড়া বাজারে ভ্রাম্যমাণ দোকান খুলে পিঁয়াজি, ঝালমুড়ি পিঠা বিক্রি করছে কমল সরকার। পাশেই সেগুলো তৈরি করে দিচ্ছে স্ত্রী মমতা রানী। মা-বাবার কাজে সাহায্য করছে তাদের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে লাকী।

স্ত্রী মমতা রানী জানান, স্বামীর পা হারানোর পর থেকে দীর্ঘ দিন ধরে এই ব্যবসা করে আসছে‌ আমি সদি সর্বদা তার পাশে। বড় মেয়েকে অর্থ সংকটের বেশি লেখাপড়া শিখাতে পারেনি কোন মতে বিয়ে দিতে হয়েছে। ছোট মেয়েটা ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ে। স্বল্প পুঁজির ব্যবসা, তার ওপর শারীরিক অসুস্থতাও বয়সের ভারে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বৃত্তবান‌ ব্যাক্তি বা কোন প্রতিষ্ঠান বা সরকারের সহযোগিতা চান কমল-মমতা দম্পতি।

এ বিষয়ে বাজার কমিটির সভাপতি মাহামুদুর রহমান পলাশ বলেন, কমল সরকার আগে ঝালমুড়ি বিক্রি করত, পা কাটার পরেও ভিক্ষাবৃত্তি বেছে না নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ বাজারে ভাসমান দোকান দিয়ে বিভিন্ন রকম পিঠা পিয়াজি ঝাল মুড়ি বিক্রি করে কোনমতে অর্ধাহারে অনাহারে দিনাতিপাত করছে। ব্যবসার পুঁজি অল্প হওয়ার কারণে ব্যবসায় ভালো করতে পারে না তারা। কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাকে সহায়তা করলে ব্যবসায় উন্নতি করতে পারবে।খেয়ে পরে কোন রকম বেচে থাকতে পারবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT