রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নোয়াখালীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি ও লাইসেন্স না থাকায় ৪টি ফার্মেসিকে জরিমানা ◈ নোয়াখালীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু ◈ বেলকুচিতে মানববন্ধনের পর ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনে বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ ◈ বগুড়াব শেরপুরে শ্রী-কৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ◈ বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপি’র মানববন্ধন ◈ ঈশ্বরদীতে রেলওয়ের ১১০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন ◈ মাদারীপুরের ডাসারে র‌্যাব-৮ এর অভিযানে মদ ও বিয়ার সহ আটক একজন ◈ বশেমুরবিপ্রবির কম্পিউটার চুরির ঘটনায় ১৯ প্রহরীকে শোকজ নোটিশ ◈ শ্রীনগরে মাদক কারবারি স্বপন গ্রেফতার ◈ কালিহাতীতে মাস্ক ব্যবহার না করায় জরিমানা আদায়
পর্ব ১ : 

এ কেমন অদ্ভুত ভালোবাসা!!!

রাকিব সুমন

প্রকাশিত : ১০:১২ PM, ২৩ জুলাই ২০২০ Thursday ১২১ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

মন থেকে ভালোবাসে কিন্তু সে,তবে যাকে ভালোবাসে সেই মানুষটির খবর নেওয়ার তার এখন সময় নেই।একদিন না দেখলে ঘুম আসেনা তার,অতচ আজ চার মাসেরও বেশি কোনো দেখা নেই।একদিন মোবাইল বন্ধ থাকলে বা কথা না বললে সে পাগল হয়ে যাই,অতচ আজ চার মাসেরও বেশি কোনো যোগাযোগ নেই।সত্যি বলতে ভালোবাসার মানুষটি শুধু নামে আছে,অতচ আজ ভালোবাসাবাসি আর নেই।এই যেন এক অদ্ভুত ভালোবাসা ! যার দাড়ি কমা কিচ্ছু নেই!!!

মো.সুমন মুসলিম পরিবারের সন্তান আমি।চট্টগ্রাম হাটহাজারীর থানার অন্তরগত কোনো একটি গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম আমার।বলতে গেলে অনেক লম্বা একটি বাস্তব জীবনের কাহিনী তার মধ্য থেকে সামান্য কিছু শেয়ার করলাম।খুব ছোট বেলার কথা ২০০৩ সাল যখন আমি নিজের গ্রামের একটি স্কুলে ৭ম শ্রেনীতে পড়ি। লেখা পড়াতে তেমন ভালো ছিলাম না ক্লাসের শেষের টেবিলের আগের টেবিলটায় বসতাম সবসময়। স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে পড়ার সময় ছেলেদের আলাদা মেয়েদের আলাদা ক্লাস রুম ছিল।একটি ক্লাস রুমে ছিল শুধু ছেলেরা আর অন্য ক্লাস রুমে ছিল শুধু মেয়েরা এমনটায় নিয়ম ছিল।কিন্তু ৭ম শ্রেনীতে উঠার পর ক্লাসের নিয়ম ভিন্ন ছেলে মেয়ে এক সাথে একি ক্লাস রুমে বসতে হবে ছেলেরা এক পাশে মেয়েরা আরেক পাশে।এমন নিয়ম শুনার পর কিছুটা হতবম্ভব হয়ে পড়েছিলাম আমি।কারণ পড়া লেখায় ভালো না স্যার পড়া জিজ্ঞেস করলে যদি পড়া দিতে না পারি স্যার মেয়েদের সামনে মারবে।কেমন যেন একটা লজ্জা লজ্জা ভাব এসে গেল আমার মধ্যে।কিন্তু কিছু করার নেই লেখা পড়ায় যখন ভালো না মাইরতো খেতে হবে এ বলে নিজের মনকে শান্তনা দিলাম।

জানুয়ারীর মাস ক্লাস সেভেনের প্রথম দিন স্কুলে গেলাম বসলাম সেই শেষের আগের টেবিলটাতে প্রথম ঘন্টা শুরু হল স্যার নাম ডাকা শুরু করেছে কে কে উপস্থিত দেখার জন্য ।টিক সেইদিন স্যার নাম ডাকার সময় মেয়েদের পাশের সিট থেকে একটি মেয়ে দাড়িয়ে উপস্থিত স্যার বলে উঠল।মুচকি হাসি গালে টুল পরা নামটা ভালো করে শুনি নাই দেখতে কেমন একটা মায়া মায়া ভাব সেই মেয়েটির চেহেড়ায়। তখন বার বার ঐ দিকে তাখাচ্ছি মেয়েটিকে দেখার জন্য।হঠাৎ তাকে দেখার পর নিজের ভিতরটা যেন কেমন করে উঠল।সেইদিন স্কুলের কোনো কিছু আর মনে ছিল না আমার।শুধু একটু পর পর ওই দিকে তাকায় আর ভাবি কে সেই মেয়েটি কোথায় বাড়ী কি নাম এসব।সেদিন স্কুলে শেষে বাসায় এসে শুধু মেয়েটির কথায় ভাবতেছি আমি। মেয়েটির কথা ভাবতে ভাবতে চিন্তা করলাম যে পরের দিন স্কুলে গেলে নামটা কি ভালো করে শুনব।এবং তারপর খবর নিবো কোথায় ওদের বাড়ী। এসব চিন্তাতে সেইদিন রাতে অস্তির ছিলাম আমি পুরা রাত শুধু মেয়েটির কথা ভেবে পার করেছি।

পরের দিন সকাল হতেই আমি স্কুলে যাওযার জন্য তৈরি হচ্ছি।সেদিন কিন্তু স্কুলে আগের মত আগোছালো যেতে মন চাইছেনা বার বার আয়না দেখে নিজেকে সাজ গুজ করতেছি।তার মধ্যে স্কুলের যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসল তারাতারি স্কুলে চলে গেলাম।নিজের ক্লাস রুমে ঢুকে টেবিলে বই রেখে বাহিরে বের হয়ে গেলাম।স্কুলের বারান্দায় দাড়িয়ে সেই মেয়েটি অপেক্ষায় রইলাম আসতেছে কিনা দেখতে।সে সময়টা তখন অনেক অস্তিরতার মধ্যে ছিলাম আমি।প্রায় ১০-১৫মিনিট দাড়িয়ে থাকার পর হঠাৎ দেখতে পাই তিন চার জন মেয়ের একটি দলের মধ্যে কাঁদে ব্যাগ নিয়ে মেয়েটি স্কুলের ভিতর প্রবেশ করতেছে।মেয়েটি স্কুলের বারান্দা দিয়ে যখন সামনের দিকে এগিয়ে আসতেছে কেমন যেন আমার মনের ভিতর একটা ভয় ভয় কাজ করতেছে।তখন ওই অবস্থায় আমি ওখান থেকে সরে যাই।কারণ নিজের ভিতরে ওই সময় একটা নার্ভাস ফিল করতেছি আমি পরে যখন মেয়েটি ক্লাস রুমের ভিতর ঢুকে টেবিলে ব্যাগ রেখে বসল তার কিছুক্ষন পর আমিও ক্লাসে ঢুকে নিজের টেবিলে গিয়ে বসলাম।

ক্লাসে ঢুকে বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষন কথা বলার পর স্কুলের প্রথম ঘন্টা বেজে উঠল।ঘন্টা পরার পাঁছ মিনিট পরই প্রথম বাংলা ঘন্টার নেওয়ার জন্য স্যার চলে আসলো ক্লাস রুমে তখন ছাত্রছাত্রীরা সবাই চুপ হয়ে গেল।

আমিও অন্যদের মত চুপ হয়ে রইলাম কিন্তু নিজের কানটা আজ খুব সজাগ করে রেখেছি কারণ মেয়েটির নামটা কি শুনতে হবে।স্যার খাতা বের করে একজন একজন করে নাম ডাকা শুরু করল দেখতেছে কে কে উপস্থিত আছে।স্যার যখন কয়েকটি নাম ডাকার পর একটি নামের মধ্যে মেয়েটি উপস্থিত স্যার বলে দাড়ল।ওই সময় মেয়েটির নাম শুনে আমার ভিতরটা ধুমড়ে মুছড়ে গেল।তখন বিরাট একটা চিন্তায় পড়ে গেলাম আমি একি হল মেয়েটির নাম এটা কিভাবে হয় মানতেই পারছিনা কিছুতে।সেদিন মনটা ভিষণ খারাপ হয়েগেছিল।

ওইদিন যতবার মেয়েটির দিকে তাকায়ছি ততবার নিজের মনের ভিতরটা ভেঙে যাচ্ছিল।সেদিন চিন্তায় আর অস্তিরতায় ক্লাসের ভিতর অনেক কষ্টে দিনটা পার করালম।পরে সেদিন স্কুল শেষে বাসায় এসে মন মরা হয়ে রইলাম কিছুই ভালো লাগছিলনা আমার।আর একটু পর পর শুধু মেয়েটির কথা ভাবতেছি কেন সেই মেয়েটির নাম এটা হল।ওইদিন রাতে আমি অনেক চিন্তা করলাম হঠাৎ করে দুই দিন আগে মেয়েটিকে দেখলাম কিন্তু কেন জানি মেয়েটার প্রতি একটা মায়া জমে গেল।আবার আজকে মেয়েটির না শুনে নিজের ভিতরে খারাপ লাগতেছে কেন কারণ কি।সেদিন মেয়েটির কথা ভাবতে ভাবতে মনে মনে চিন্তা করলাম দূর মেয়েটি তো আমার ক্লাসমিট।ধীরে ধীরে মেয়েটির সাথে বন্ধুত্ব করে নিব তখন হয়ত আর এমন লাগবে।এই চিন্তা করে গুমাতে গেলাম কিন্তু চোঁখে কিছুতে ঘুম আসছেন আমার শুধু মেয়েটির চেহেড়াটা চোঁখে ভাসতেছে।আবার যখন মেয়েটির নামটা আমার কানে বাজে তখন আবার অনেক খারাপ লাগে এ যেন মহা যন্ত্রণায় পড়ে গেলাম আমি। সেদিন জীবনের প্রথম একটি রাত অনেক কষ্টের মধ্যে বিচানায় এদিক ওদিক করে কাটিয়েছিলাম।পর দিন আমি সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে মনে মনে ভাবলাম মেয়েটি যে হবে হোক ওই মেয়েটির জন্য নিজের ঘুমটাও হারাম হল আমার।

মেয়েটির দিকে আর তাকাব না তাছাড়া মেয়েটি হল অন্য ধর্মের বাছ তার দিকে আর তাকাবোনা।এইভেবে সকালে স্কুলে চলে গেলাম টেবিলে বই রেখে স্কুলের বাহিরে চলে আসলাম একবারে যাতে মেয়েটি আমার চোঁখে না পড়ে।পরে যখন স্কুলের প্রথম ঘন্টা বাজলো তখনি গিয়ে ক্লাস রুমে বসলাম।আগের দিনের মত স্যার এসে উপস্থিত খাতা চেক করে নাম ডাকা শুরু করল এবং তার শেষে স্যার আমাদের বই থেকে কিছু প্রশ্ন দিল পরের দিনের জন্য।তারপর প্রথম ঘন্টা শেষে স্যার বের হয়ে গেলো।প্রথম ঘন্টার স্যার বের হওয়ার তার পাঁছ মিনিট পর দ্বিতীয় ঘন্টার স্যার আসে।যখন স্যার বের হয় সঙ্গে ক্লাসের ভিতর সবাই একটা চেচামেচি দুষ্টামি শুরু করে।তার মধ্যে ওই মেয়েটিও একটু দুষ্টামি করতেছে ওর বান্দবীরদের সাথে।ওর দুষ্টমি আর চেচামেচিতে ওই দিকে চোঁখ পড়ে যাই আমার সাথে সাথে ভিতরটা আবার নড়ে উঠল।ওর দিকে চোঁখ পরার সাথে দেখি মেয়েটি হাসতেছে আর হাসির সাথে তার গালে টোল পড়তেছে কি একটা মায়া নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না।শুধু মেয়েটির দিকে তাকিয়ে রইলাম ভূলে গেলাম স্কুলে আসার আগের ভাবনা করা কথা গুলো।

ওই সময় থেকে মনে মনে ভাবলাম এই বয়সে প্রথম একটি মেয়েকে দেখে নিজের মনের ভিতর ভালোলাগা শুরু হল।সেই যেই ধর্মের হোক তার সাথে আমার বন্ধুত্ব করতে হবে।এইটা ভেবে সেদিন থেকে আমি সাহস করে সামনে দিকে অগ্রসর হলাম।

সেই মেয়েটির মূল নামটা ব্যবহার করতে পারছিনা তাই অন্য একটি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেছি তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

মেয়েরটির ছদ্মনাম হল এ্যানি বড়ুয়া মানে সেই মেয়েটি একটি বুদ্ধ ধর্মের অনুসারির।যেদিন স্কুলে মেয়েটির নাম এ্যানি বড়ুয়া শুনে আমার ভিতরটা ভেঙে গেল।এ্যানি বড়ুয়া আমার পাশের একটি গ্রামে তার বাড়ী আমার থেকে একদম কাছে।তারপর থেকে এ্যানিকে প্রতিদিন ফলো করতাম।ওর দিকে সবসময় তাকাতাম এমন কি স্কুল ছুটি শেষে ওদের বাড়ীও গিয়ে এ্যানিকে দেখতাম।

এইভাবে বেশ কিছুদিন এ্যানিকে ফলো করতে করতে মনের অজান্তে তাকে ভালোবেসে ফেলেছি।জীবনে প্রথম এ্যানিকে দেখার পর বুঝলাম ভালোলাগ কি এবং তাকে দেখতে দেখতে শিখলাম ভালোবাসা কি।কিন্তু এ্যানিকে আমি নিজে একা দেখতে দেখতে এসব হয়ছে সে এসবের কিছু জানে না।আর কিভাবে জানবে কোনোদিন এ্যানির সামনে গিয়ে দাড়ায়নি কখনো দূর থেকে কখনো আশপাশ থেকে দেখেছি তাই ও এসব কিছু জানত না।এইভাবে নিজে একা একা দেখে দেখে এ্যানিকে ভালোবাসতে লাগলাম আমি।

স্কুলের ৭ম শ্রেনীতো প্রায় কয়েকমাস চলে গেলো কিন্তু সাহস পাইনি এ্যানির সামনে গিয়ে কোনো কথা বলতে।অন্যদিকে বেশ কিছু দিন ধরে এ্যানি কে ফলো করতেছি আমি সেই কিন্তু একটু একটু বুঝতে পেরেছে। যার কারণে মাঝে মাঝে এ্যানি আমার সামনে দিয়ে গেল চেহেড়াটা রাগ রাগ ভাব করে রাখত যা দেখে আমি আন্দাজ করেছি।

একদিন স্কুলে হঠাৎ এ্যানির দিকে তাকানোর সময় তার চোঁখে চোঁখে হয়ে যাই আমার।সেদিন এ্যানির চোঁখে চোঁখে হওয়াতে সেই কি যেন বলতেছে আমার দিকে তাকিয়ে।তখন মনে হচ্ছিল কোনো খারাপ কিছু বলতেছে আমাকে তার দিকে তাকিয়েছি বলে।সেটা দেখে আমার মনটা ভিষণ খারাপ হয়ে যাই কিন্তু কিছু বলিনি এ্যানিকে কারণ কি বলতেছে তা শুনি নাই।তাই আমি তখন চিন্তা করতেছি মনে মনে কি বলবে আর তাক যা বলবে বলুক আমারটা আমি চালিয়ে যাই।এরপর আমি সেদিন স্কুলের বারান্দায় টিফি’নের সময় দাড়িয়ে বন্ধুদের সাথে কথা বলতেছিলাম।হ

ঠাৎ সেসময় এ্যানি তিন চারজন মেয়ে বান্দবী নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে আসতেছে দেখতেছি।এ্যানির চেহাড়াতে খুব রাগান্নিত ভাবছিল তখন মনে মনে ভাবলাম আমার কাছে আসতেছে মনে হয়।সেসময় আমি ভাতেছি যদি আমার কাছে আসে কি যে হয় আল্লাহ জানে।পরে দেখি সত্যি সত্যি আমার সামনে এসে আমাকে তুই তুকারি শুরু করেদিল।

বলতে লাগল এই তুই আমার দিকে কি দেখিস? তুই সবসময় আমার দিকে তাকিয়ে তাকিস কেন এইভাবে যা তা বলে যাচ্ছে আমাকে।আমারও একটু মাথা গরম বললাম কি হয়ছে দেখছি তুই তুকারি শুরু করে দিলাম আমিও। দুজনের মধ্যে হেব্বী একটা ঝগড়া হয়ে গেল তখন।একটা সময় ঝগড়ার মধ্যে এ্যানি আমার গায়ে হাত তুলতে চাইল ।তখন আর নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি মাথা প্রচন্ড গরম হয়ে গেছিল আমিও এ্যানির গায়ে হাত তুলতে চাইলাম।এসব দেখে স্কুলের সব ছাত্র ছাত্রী এক জায়গায় হয়ে গেল ওই সময়।এক পর্যায়ে ঝগড়ার অবস্থা ভিষণ খারাপ হওয়ার কারণে তিন চার জন মেয়ে টানাটানি করে এ্যানিকে নিয়ে গেল একদিকে। আর আমার তিন চার জন বন্ধু আমাকে নিয়ে এলো আরেকদিকে। এমন ঝগড়া দেখে স্কুলে সব ছাত্র ছাত্রী অবাক এ কেমন ছেলে মেয়ের ঝগড়া সবাই হতবম্ভব।

এ্যানির একটু রাগের পরিমানটা বেশি ছিল আমাকে মারতে পারেনি তাই সেদিন ও স্যার কে আমার নামে যা তা বলে আমাকে স্যার কে দিয়ে মাইর খাওয়াল।যখন স্যার আমাকে হাতে বেতের বারির দিচ্ছে তখন এ্যানি মুচকি হাসি দিচ্ছে আমার সামনে।সেদিন স্যারের বেতের বারির চেয়ে এ্যানির হাসির দেখে মনে আরো বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম আমি।এ্যানির সেইদিনের আচরনে আমি ক্লাসে আর বসতেই পারছিলাম না।অনেক কষ্ট করে ক্লাসে বসে থেকে স্কুলের সময়টা পার করে সবার আগে বাসায় চলে আসি।অনেকটা অপমান বোধ করলাম সেদিন অনেক কষ্ট পেলাম।পরে বাসায় আসার পর রুমের দরজা বন্ধ করে বিচানায় শুয়ে অপমানে যন্ত্রণায় নিরবে অনেক চোঁখের জ্বল পেলেছি।শুধু ভেবেছি এ কি হল আমার কোথা থেকে কি হয়ে গেল কোনো ভাবে মনকে বুঝাতে পারছিলাম না। এ্যানিকে প্রথম দেখে ভালো লেগেছিল তারপর তাকে দেখতে দেখতে নিজরে মনের মধ্যে ভালোবাসা শৃষ্টি হল কিন্তু তার বিনিময়ে এমন হবে তা কখনো ভাবিনি।সামান্য দেখেছি সেই জন্য সবার সামনে ঝগড়া করে যা ইচ্ছা বলে গেল।আবার স্যার কে দিয়ে আমাকে বেতের বারি এসব মনে করে কি যে কষ্ট হয়েছিল সেদিন। শুধু দেখছি বলে এতো কিছু করেছে যদি প্রোপজ করতাম কি হত ! আমি তো একা ভালোবেসে একা কষ্ট পেয়েছি কিন্তু তাকে কিছু বলিনি শুধু দেখেছি তাই বলে ও এমন করল আমার সাথে।এসব চিন্তা আর অপমানের যন্ত্রণায় ওই দিনের পর থেকে আমি অনেক দিন স্কুলে যাই নি।কারণ স্কুলে সবাই আমার দিকে তাকিয়ে রইবে এক একজন এক একটা বলেব আমাকে দেখে সেজন্য।তাছাড়া স্কুলে গেলে এ্যানির চোঁখে পড়ব আমি আর আমারও তাকে দেখতে মন চাইবে কারণ ভূল করে মনে মনে তাকে ভালোবেসে ফেলেছি।তাই স্কুলে না গিয়ে ঘরে বসে বসে নিজের দোষের কথা চিন্তা করে কাটিয়েছি।আর ভেবেছি হয়তো আমার চেহেড়াটা খারাপ নয়তো আমি স্কুলের লেখা পড়ায় ভালো ছাত্র নয় সেজন্য এ্যানি আমার সাথে এমন আচরনটা করেছে।তা নাহলে এমন করার কোনো প্রশ্নই আসে না সেসময় রাতে এসব কথা মনে পড়লে কান্না হতো আমার।কিন্তু বড় দুঃখের বিষয় হলো

এ্যানির কাছ থেকে এতো অপমান এতো কষ্ট পাওয়ার পরেও এ্যানিকে আমি এক মিনিটের জন্য ভূলতে পারিনি তখন।বার বার এ্যানির কথা মনে পড়ত তার চেহেড়াটায় আমার চোঁখে ভাঁসত। কিন্তু তখন আমি কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না কোনো উপায় ও ছিলনা যে একটা সমাধান করব।অতচ অনেক দিন ধরে স্কুলে যায়না তাই এ্যানিকে দেখিনা বেহায়া মনটা আমার এতো কষ্ট দেয়ার পরেও তাকে দেখতে মন চাইতেছে বার বার।কিন্তু কিভাবে দেখব আগের মত আর এ্যানিকে কাছ থেকে দেখতে পাড়বনা।যদি দেখি আর সে যদি জানে তাহলে আবার হয়তো অপমানিত হতে হবে সবার সামনে।এসব চিন্তায় আমি অস্তিরতার মধ্যে দিন পার করতেছি।অ্যদিকো কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিনা কিভাবে কি করব ।এ যেন এক মহা যন্ত্রণায় পরেছিলাম তখন মনে হয়েছিল আমার পুরা পৃথিবীটা যেন অন্দকারে চেয়ে গেছে।অবশেষে যখন কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছিলাম না তখন অনেক কষ্টে করে নিজের মনকে শক্ত করলাম।এ্যানি তো আমার প্রথম দেখা একটা ভালোলাগা আর সেই ভালোলাগ থেকে আমি একা এ্যানিকে ভালোবেসে ফেলি।আর প্রথম ভালোবাসা যখন ভূলতে পারবো না এ্যানিকে আমি আজীবন দূর থেকে একা একা ভালোবেসে যাব এবং দূর থেকে তাকে দেখবো।কোনোদিন স্কুলে থাকা কালিন এ্যানির সামনে যাবনা দূর থেকে এ্যানিকে দেখবো।আর যদি কোনোদিন স্কুলের বাহিরে এ্যানিকে দেখি তখন যদি সুযোগ হয় আমার তাহলে ওকে যে প্রথম দেখে ভালোবেসে ফেলেছি সেটা জানাব।এমনটায় ভেবে মনের কষ্ট মনে লুকিয়ে অনেকদিন পর আবার স্কুলে যাওয়া শুরু করলাম আমি।সেইসময় স্কুলে গেলে কিন্তু খুব কেয়ারফুল থাকতাম।যাতে আমি তার সামনে না পড়ি এটা মাথায় রেখে দূর থেকে সবসময় এ্যানিকে দেখতাম।এইভাবে প্রতিদিন নিজেকে আড়াল করে স্কুলের ক্লাস রুমে এবং স্কুলের বাহিরে ওদের বাড়ী গিয়ে দূর থেকে এ্যানিকে দেখে দেখে মনকে শান্তনা দিতাম।একসময় দূর থেকে দেখতে দেখতে আমার চোঁখের নিশানাটা এমন হয়ে গেল এ্যানির জন্য।আমার চোঁখের শেষ সীমানায় যদি এ্যানি দাড়িয়ে থাকে আমি তাকে চিনতাম। এবং বেশ কয়েকবার দূর থেকে তাকে দেখে চিনতাম এটা কয়েকটি বন্ধুকে প্রমানও দিয়েছি।

এভাবে এ্যানিকে দূর থেকে ভালোবাসতে বাসতে কখন যে স্কুল জীবনের পাঁছটি বছর শেষ হয়ে গেল বুঝতেও পারিনি।কিন্তু সেই ক্লাসের সেভেনের পর থেকে স্কুল জীবন শেষ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত এর মধ্যে কোনোদিন আমি আর এ্যানির সামনে যাইনি।যখন স্কুল জীবন শেষ হয়ে গেল তখন মনে মনে একটা প্রতিজ্ঞা করছিলাম।যদি কোনোদিন বাহিরে এ্যানির দেখা পাই তাহলে সেদিন এ্যানিকে এই কথাটি বলব যে এ্যানি তুই আমার জীবনের প্রথম ভালোলাগার মানুষ ছিলি।এবং ছোট্ট বেলার প্রথম দেখাতে আমি তুকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি এই কথা গুলি বলব।

আমরা ২০০৭ সালের ব্যাচ স্কুল জীবন শেষ।এখন আর চাইলেও দূর থেকে এ্যানিকে দেখতে পারবো না।যদি দেখতে হয় ওদের বাড়ীতে গিয়ে হয়তো হাটার চলে দেখতে হবে।কারণ কলেজ লাইফ এক একজন এক এক জায়গায় চলে যাই আমাদের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম নয়।যখন স্কুল লাইফ শেষ ২০০৮ সালে এ্যানিকে দেখতে ওদের বাড়ীর দিকে যেতাম।মাঝে মাঝে দেখতাম দূর থেক এ্যানির দেখা মিলত।স্কুল লাইফ শেষে এইভাবে আরো দুইবছর গত হয়ে গেলো আমার।

তারপর হঠাৎ একদিন ২০০৯ সাল তখন আমার এক স্কুল বন্ধুর কাছে শুনি এ্যানি প্রেম করে বিয়ে করতেছে। কথাটা শুনার পর আমি আমার ভিতর ছিলাম না।কি বলিস তুই সত্যি নাকি বলে হে দেখে আই গিয়ে তাদের বাড়ীতে।তার কথা শুনে দেখার জন্য এ্যানির বাড়ী ওদিকে গিয়ে দেখি সত্যি বিয়ে হচ্ছে।তখন নিজেকে ধরে রাখতে অনেক কষ্ট হয়ছিল আমার কোনো ভাবে মনকে বুঝাতে পাড়ছিনা আমি।আবার এদিকে বন্ধু বলেছে এ্যানি প্রেম করে বিয়ে করছে নিশ্চয় অনেক স্মার্ট সুন্দর ছেলে হবে।কিন্তু আমাকে তো এটা মেনে নিতে হবে কিছুই তো আমার করার নাই। কারণ ভালো টা আমি একা বেসেছিলাম একতরপা ভালোবাসা ভেবে নিজের কষ্ট বুকে চেপে রাখলাম সেদিন।শুধু মনে রেখেছি জীবনে চলার পথে কোনোদিন যদি দেখা হয়।তাহলে এ্যানিকে আমার ছোট বেলার ভালোলাগার কথাটি বলে তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিব।মনে এই আশা রেখে জীবনের প্রথম ব্যর্থতা নিয়ে সামনে দিকে এগোতে লাগলাম।মাঝে মাঝে খোঁজ নিতাম বন্ধুদের কাছ থেকে এ্যানির।কিন্তু কেউ কিছু বলতে পাড়ত না শেষ মেষ আরো দুই বছর পর জীবনের প্রয়োজনে ব্যর্থ জীবন নিয়ে আমি প্রবাস পাড়ি দিলাম ২০১১ সালে।

কিন্তু বিয়ের পর কেন এমন হলো আমার সাথে ! কি অন্যায় করেছি আমি !কেন আবার আমার কাটা গায়ে লবণ ছিটালো এ্যানি !কেন আবার আমার জীবন এসে আমাকে উলোট পালোট করে মৃত্যুর পথে টেলে দিয়ে চলে গেল! যার উত্তর আমি এখনো পাইনি হয়তো কোনোদিন পাব কিনা তাও আমার জানা নেই !

হয়তো এই কথা শুনে অবাক হচ্ছেন হওয়ারি কথা কারণ এ্যানির তো বিয়ে হয়ে গেছে সে কিভাবে আবার আসল।হুম সেটায় বলছি কিভাবে আবার আমার জীবনে এসেছে।যখন আমি ২০১১ সালে দুবাই চলে যায় তিন বছর পর ২০১৪ সালে দেশে আসি বেড়ানোর জন্য।দেশে এসে মাত্র পাঁছ দিন ছিলাম তখন পাঁছদিন পর আবার চলে যাই দুবাই।দেশে ওই পাঁছ দিন তাকার সময়ও আমি এ্যানির খোঁজ করছিলাম কিন্তু তার কোনো খবর পাইনি।এর পর আবার চলে যাওয়াতে তাকে আর খোঁজ করা হল না।পরে দুবাই গিয়ে আরো চারটি বছর কেটে গেল আমার ২০১৮ সালে প্রথম দিকে একবারে দেশে চলে আসি আমি।দীর্ঘ ৭ বছর প্রবাস জীবন করে কিছুই করতে পারিনি নিজের ব্যর্থতার জন্য।কারণ প্রবাসে ডিস্কো ক্লাবের মধ্যে টাকা পয়সা নষ্ট করার একটি জগতে ঝড়িয়ে পেলেছি নিজেকে।আর এসব জগতে চার বছরে নিজেকে নষ্ট করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম।তাই ওসব থেকে রক্ষা পেতে দেশে চলে আসি।

তখন দেশে এসে নিজের জীবন কে আবার নতুন করে সাজানোর উদ্দেশ্য নিয়ে চলা ফেরা শুরু করলাম।এবং ওই সময় দেশে এসে কয়েকমাস ভালোই কেটেছে আমার।একদিন বাসায় দুপুরে টাইমে ফেইসবুক চালানোর সময় হঠাৎ ফেইসবুকে এ্যানির ছবি সহ একটি আইডি চোঁখে পড়ে।তাকে দেখা মাত্রই মনের ভিতর কেমন যেন করে উঠল আমার।

তখন ২০১৮ সালের জুন মাসের শুরু দিকে এই ফেইসবুক আইডি দেখি। সেই একি চেহেড়া আগের মতই তখন ছবি তে এ্যানিকে দেখে খুশিতে আমি আত্মহারা হয়ে গিয়েছি।সেদিন আর দেরি না করে তারাতারি এ্যানির আইডি তে ঢুকে দেখি ওই আইডিটা এ্যানি চালায় কিনা।এ্যানির আইডির ভিতর যখন ঢুকি দেখি তার দুদিন আগের একটা স্ট্যাটাস তার মানে নিশ্চিত হলাম সেই আইডিটা চালায়। আর দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালাম সেই সাথে একটি ফোক মারলাম এবং হাই লিখে একটি মেসেজ ও দিলাম।যাতে এ্যানি ফেইসবুকে ঢুকলে খুব তাড়াতাড়ি দেখতে পাই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট টা।রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর মনে মনে আল্লাহ কে সরণ করতেছি যেন এ্যানি আমার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট টা এক্সসেপ্ট করে। যদি রিকোয়েস্ট এক্সসেপট করে তাহলে ছোট বেলার মনে কথাটা মেসেন্জারে বলে দিব।এবং ক্ষমা চেয়ে নিব এ্যানির কাছ থেকে প্রথম দেখে তাকে না বলে অনেক ভালোবেসেছি বলে।

সেদিন এ্যানিকে রিকোয়েস্ট পাঠানোর পর আমি বার বার ফেইসবুকে দিকে তাকিয়ে ছিলাম কখন সেই অনলাইনে আসবে আর আমার রিকোয়েস্ট এক্সসেপট করবে কখন উত্তর দিবে।সেই সময় খুব এক্সসাইটেট ছিলাম আমি।এইভাবে রাত পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিলাম কিন্তু সেদিন এ্যানি ফেইসবুকে আসেনি।তার পরের দিন তখন সময় বেলা ১২টা হঠাৎ দেখি আমার মেসেন্জারে এ্যানির একটা মেসেজ আসল।

মেসেজের লেখাটা ছিল এমনি তুই আমাকে এখনো মনে রেখেছিস? আমি তো সেই মেসেজ দেখে অবাক তার মানে সেই জানে আমি তাকে ভালোবাসি।সেই জানে তাকে আমি অনেক দূর থেকে সবসময় দেখতাম।কিন্তু সেই জানে না তাকে আমি সারাজীবন মনে রাখব সেই জন্য এই মেসেজটি দিল।আমি তো সেদিন এতোটা খুশি ছিলাম যা আমার জীবনে এমন খুশির দিন হয়তো আর কোনোদিন আসবে না।তখন আমি তারাতারি মেসেজ সিন করে বললাম হে মনে রেখেছি এবং মনে রাখবো এটা বলে মেসেজের রিপ্লে দি।

এ্যানি সেসময় অনলাইনে ছিল ওই দিক থেকে সঙ্গে সঙ্গে উত্তর এলো তাই নাকি আমি বললাম হে।

সেদিন আমি আর দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে মেসেজ দিয়ে বললাম তুকে একটা কথা বলব বলে অনেক দিন ধরে অপেক্ষা করছি।আমার কথাটা শুনার পর তুই আমাকে ব্লক কর যা মন চাই করিস আমার আর কোনো আপত্তি থাকবে না। তোকে এই কথাটা বলার জন্য দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে অপেক্ষা করছি তাই দয়া করে কিছু মনে করিস না ভুল বুঝিস না আমাকে।

এ্যানির আমার মেসেজটা পাওয়ার সাথে বলল হে বল শুনি কি কথা।এতো বছর ধরে বলার জন্য বসে আছিস নিশ্চয় শুনব বল।

তখন আমি বলি ছোট্ট বেলায় তুকে এক নজর দেখে আমার অনেক ভালো লেগে যাই তারপর স্কুলে তুকে দেখতে দেখতে আমি মনের অজান্তে তুকে অনেক ভালোবেসে ফেলছি।যার জন্য আমি তুকে এই জীবনে হয়তো কোনোদিন ভূলতে পারবো না। আমি জানি না তুকে প্রথম দেখার কেন এতো ভাল লেগে গেল।আমি জানি না তোকে দেখার পর কেন এতো ভালোবেসে ফেলেছি।শুধু জানি আমার জীবনে দেখা তুই প্রথম ভালোলাগা আর সেই ভালো লাগা থেকে হয়ে গেলি আমার প্রথম ভালোবাসা।তাই হয়তো আমার বাকি জীবনে তুকে ভুলতে পারবনা।তুকে না বলে দূর থেকে দেখে দেখে অনেক বেশি ভালোবেসে ফেলেছি বলে আমাকে ক্ষমা করে দিস পিলিজ।

মেসেজ দিয়ে এই কথা গুলি বলার পর এ্যানি আমাকে বলে কি বলিস।তুই সেই ছোট্ট বেলার ভালোবাসা এখনো মনে রেখেছিস আমি বলল হে।তখন আমি আর কথা না বাড়িয়ে তাকে মেসেজ দিয়ে বললাম আমার কথাটা বলে ফেলছি তুই চাইলে এখন আমাকে ব্লক করে দিতে পারিস তোর  কাছে আর কোনো কিছু চাওয়ার নেই এবং কোনো কিছু বলার ও নেই।

চলবে………………………………………………………………………………….

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT