রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ৩০ মে ২০২০, ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মক্কার মসজিদ ছাড়া সব মসজিদ খুলে দেওয়ার ঘোষণা ◈ আখাউড়ায় অতিরিক্ত লোডশেডিং ,ডিজিএম’র সমালোচনায় সরব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ◈ উলিপুরে আরো ৩জন করোনা রোগী সনাক্ত ◈ ধুনটে বিষাক্ত মদপা‌নে দুই যুব‌কের মৃত্যু : হোমিও চিকিৎসক গ্রেফতার ◈ কেশবপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক স্বর্গীয় তরুণ অধিকারীর ১৪ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ◈ ছেলে বউয়ের মারধোরে শেষ বয়সে রাস্তায় মা ◈ তিতাসে অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ◈ তাড়াইলে সহকারী কমিশনার ভূমি (ম্যাজিস্ট্রেট) আবু রিয়াদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ◈ বীর মুক্তিযোদ্ধা ঝন্টু কুমার দে এর গার্ড অব অনার প্রদান ◈ র‍্যাব ৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের উদ্দোগে মহিপুরে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

এ আঁধার রাতের চেয়েও অন্ধকার

প্রকাশিত : ০৬:০৬ PM, ১২ এপ্রিল ২০২০ Sunday ১৪ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

মুঈদ রহমান
করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ মৃত্যুর মিছিল কোথায় গিয়ে থামবে, তা কারোরই জানা নেই। পরিসংখ্যানের দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থা অতিমাত্রায় খারাপ না হলেও এর ব্যাপকতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনাভাইরাসের আক্রমণে ইউরোপ ও আমেরিকার মতো মজবুত স্বাস্থ্যব্যবস্থা বেসামাল হয়ে পড়েছে। খোদ আমেরিকাতেই আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ; ধারণা করা হচ্ছে, এক যুক্তরাষ্ট্রেই ২ লাখ মানুষের প্রাণসংহার হতে পারে। সে মাত্রায় আঘাত এলে আমাদের মতো ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থার কী হাল হতে পারে, তা ভাবলেই শিউরে ওঠার কথা! ভাইরাসটির প্রকোপ কতটা বৃদ্ধি পেতে পারে, কতটা ক্ষমতা নিয়ে আঘাত হানতে পারে, তার সুরক্ষায় কী করা যেতে পারে, সে বিষয়ে আগাম কথা বলার যোগ্যতা রাখেন একজন চিকিৎসাবিজ্ঞানী। আমার মতো সাধারণ মাপের একজন সমাজবিজ্ঞানের ছাত্রের সেদিকে পা বাড়ানোর চেষ্টা করাটা দুঃসাহস হবে। তাই করোনাভাইরাসের আক্রমণে আর্থসামাজিক অবস্থার ক্ষতি সামাল দেয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। ঝুঁকির মাপজোখ করা যায়; কিন্তু কোনোভাবেই অনিশ্চয়তা পরিমাপ করা যায় না। আমরা এখন সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেই পড়ে গেছি। সুতরাং এ মুহূর্তে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। সাম্প্রতিক সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবেলায় ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। অবশ্য কেউ কেউ একে প্রণোদনা মানতে নারাজ, তাদের মতে প্রণোদনা ফেরতযোগ্য নয়, তাই একে আর্থিক সহযোগিতা বলা যেতে পারে। আমরা সে তর্কে না গিয়ে বরং আর্থিক ঘোষণার দিক ও পরিধিটি আলোচনায় আনতে চাই। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এ আর্থিক প্রণোদনা মোট ৪টি এবং পূর্বঘোষিত পোশাক খাতের ৫ হাজার কোটি টাকা সর্বমোট ৫টি প্যাকেজে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম প্যাকেজটি হল ৩০ হাজার কোটি টাকার। শিল্প ও সেবা খাতের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ প্রণোদনা। এর আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান চলতি ব্যয়ের জন্য ব্যাংক থেকে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবে। এ ৯ শতাংশ সুদের মধ্যে মাত্র অর্ধেক অর্থাৎ ৪ দশমিক ৫ শতাংশ পরিশোধ করবে শিল্পপ্রতিষ্ঠান আর বাকি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভর্তুকি হিসেবে সরকারের কোষাগার থেকে দেয়া হবে। দ্বিতীয় প্যাকেজটিতে রাখা হয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ। এটিও প্রথমটির মতোই, তবে এটি কেবল ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য প্রযোজ্য। এটির ব্যবস্থাও ব্যাংকই করবে। সুদের হার হবে ৯ শতাংশ, যার অর্ধেক দেবে প্রতিষ্ঠান আর বাকি অর্ধেক সরকার ব্যাংককে দেবে। তৃতীয় প্যাকেজটির আকার ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা; রফতানি উন্নয়ন তহবিল বাড়াতে এ অর্থ সাহায্য করবে। কাঁচামাল আমদানির সুবিধা বাড়ানোর জন্যই এ তহবিল বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে রফতানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আকার হচ্ছে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলার বা ২৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা; এর সঙ্গে নতুনভাবে ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা যোগ হয়ে মোট আকার হবে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বা ৪২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এতে বর্তমান সুদের হার ২ দশমিক ৭৩ শতাংশের পরিবর্তে কমিয়ে ২ শতাংশে নির্ধারণ করা হবে। চতুর্থ প্যাকেজটির ৫ হাজার কোটি টাকা দেয়া হবে পুনঃঅর্থায়ন কর্মসূচি ঋণ (প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট রিফাইন্যান্স স্কিম) হিসেবে। ৭ শতাংশ সুদে বাংলাদেশ ব্যাংক এ ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করবে। আর শেষ প্যাকেজটি আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল; পোশাক শিল্পের বেতন-ভাতাদির জন্য সরকার ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা দেবে। এখানে একটি ভালো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পোশাক শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকদের বেতন সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। প্রতিষ্ঠানের নামে তা ঋণ হিসেবে থাকলেও বণ্টন থাকবে সরকারের হাতে। এতে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বঞ্চনার আশঙ্কা কমে আসবে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি অনেকের কাছে অপ্রতুল মনে হতে পারে; তবে সার্বিক বিবেচনায় ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডির) ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, প্রণোদনার বিষয়টি ইতিবাচক। কারণ এ মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ সরবরাহ ঠিক রাখা। এ সরবরাহের ভিত্তিতেই চাহিদাকে চাঙ্গা রাখা সম্ভব; অর্থাৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি থাকতে হবে। তাই আমাদের সীমিত সম্পদ বিবেচনায় এ ঘোষণাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু সমস্যার প্রকোপ যতখানি, তার তুলনায় আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই- এ বিষয়টিকেও মাথায় রাখতে হবে। আমাদের শিল্প খাতকে আমরা পাঁচটি স্তরে বিবেচনা করে থাকি। সবচেয়ে কম অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমশক্তি নিয়ে এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার পুঁজি নিয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের কুটিরশিল্প। তারপরের স্তরে আছে মাইক্রো শিল্প। এর শ্রমিকের সংখ্যা ১৬-৩০ এবং পুঁজির পরিমাণ ১০-৭৫ লাখ টাকার মধ্যে। তৃতীয় স্তরে আছে ক্ষুদ্রশিল্প, যার আকার ৩১-১২০ জন শ্রমিক এবং পুঁজির পরিমাণ ৭৫ লাখ থেকে ১৫ কোটি পর্যন্ত। চতুর্থ স্তরে আছে মাঝারি শিল্প। এ শিল্পে বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ ১৫-৫০ কোটি টাকা এবং নিয়োজিত শ্রমিক সংখ্যা ৩০০-র বেশি নয়। আর শেষ ধাপে আছে বড় শিল্প, যার শ্রমশক্তি ৩০০-র উপরে এবং পুঁজির পরিমাণ ৫০ কোটি টাকার বেশি। প্রণোদনার ক্ষেত্রে প্রথম দুটি স্তরের কথা বিবেচনায় নেয়া হয়নি। তাছাড়া শিল্পের বাইরে অতিক্ষুদ্র ব্যবসায় খাতটিও উপেক্ষা করার মতো নয়। অনেকগুলোর মধ্যে শুধু একটি উদাহরণ তুলে ধরব। আমাদের দেশের প্রতিটি গ্রামে রয়েছে চা-দোকানের মতো আয়োজন। প্রতিটি গ্রামে রয়েছে গড়পড়তা ৪টি চা-দোকান। ১৯৯১ সালের জরিপ অনুযায়ী গড়ে ২৩২টি পরিবার নিয়ে ৬৮ হাজার ৩৮টি গ্রাম রয়েছে। সে অনুযায়ী মোট চা-দোকানের সংখ্যা কমপক্ষে ২ লাখ ৭২ হাজার; গড়ে ৩ হাজার টাকা হলে প্রতিদিন প্রায় ৮২ কোটি টাকার লেনদেন হয়। এর সবটাই এখন বন্ধ; এদের পুঁজির বড় অংশই সমিতি কিংবা এনজিও জোগান দেয়, যা সাপ্তাহিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য। তাহলে এখন তাদের উপায় কী! এক্ষেত্রে অন্যান্য খুচরা বিক্রেতার কথা না বললেও অনুমান করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া আমাদের মোট কর্মবাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশই অনানুষ্ঠানিক খাত। এ খাতে কর্ম হারাবেন অনেকেই। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ধারণা অনুযায়ী, করোনার কারণে ৯০ লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়তে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আনুমানিক ১ কোটি ৫০ লাখ পরিবারের ন্যূনতম চুলা জ্বালানোর ক্ষমতা থাকবে না, যেখানে মানুষের সংখ্যা ৬ কোটির কম হবে না। এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষ থেকে দেশকে মুক্ত রাখার উপায় হিসেবে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আবুল বারকাতের প্রস্তাবনা হল, ‘যদি করোনাভাইরাস-১৯ অপ্রতিরোধ্যভাবে চলতে থাকে এবং জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হয় তাহলে মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে খাবার সরবরাহ সম্ভব হবে না। আসা যাক কিছু হিসেবের কথায়। মূল কথা হল, এসব দুর্দশাগ্রস্ত অভুক্ত প্রতিটি মানুষকে খাদ্য বাবদ দৈনিক কমপক্ষে গড়ে ৭৫ টাকা বরাদ্দ করতে হবে (হিসাবটি করা হয়েছে খানাভিত্তিক আয়-ব্যয় জরিপ ২০১৬-এর দারিদ্র্যের নিম্নরেখার সঙ্গে মূল্যস্ফীতি যোগ করে)। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন সারা দেশে লাগবে ৪৫০ কোটি টাকা; অর্থাৎ মাসে ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ছয় মাস চালাতে হলে লাগবে ৮১ হাজার কোটি টাকা। অবশ্য অনিশ্চিত এ অবস্থা পরিবর্তিত হলে অথবা নীতিগত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হলে এ অঙ্ক কম-বেশি হতে পারে। উল্লেখ্য, যেখানে শিল্প মালিকদের (পোশাক শিল্পের কথা বলা হচ্ছে) জন্য আপাতত ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন আর্থিক ও নীতি সুবিধাসহ অনেক সুবিধা দিতে হবে, সেখানে দুর্দশাগ্রস্ত অভুক্ত-অর্ধভুক্ত মানুষ বাঁচাতে তাদের মধ্যে খাদ্য বাবদ ৮১ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ যে কোনো বিবেচনায় ন্যায্য বরাদ্দ।’ সাধারণ মানুষের মনে একটি অতি সাধারণ প্রশ্ন আসতে পারে- খাদ্য-সহায়তা বাবদ এত টাকা সরকার কোথায় পাবে? এর একটি সম্ভাব্য উৎসের কথাও প্রফেসর বারকাত বাতলে দিতে ভোলেননি। করোনা মোকাবেলায় বৈশ্বিক তহবিলে বর্তমানে জমা হয়েছে ৫০ বিলিয়ন ডলার। এর ন্যায্য হিস্যা হিসেবে ৩ শতাংশ বা ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা আমরা আদায় করতে পারি (যদিও আমার হিসাব মতে, আমাদের ন্যায্য হিস্যা ২ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি নয় এবং সেমতে অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ হাজার ৮০০ কোটি টাকা); ধনীদের বা সম্পদশালীদের ওপর ওয়েলথ-ট্যাক্স হিসেবে আদায় করা যেতে পারে ৩০ হাজার কোটি টাকা। আমরা একটি নৈতিক অবস্থানে থেকেও পাচারকৃত ও কালো টাকা উদ্ধার করতে পারি প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা। তাছাড়া চলতি বাজেটের ৬২টি প্রকল্পে যে ব্যয় ধরা হয়েছিল, তার মধ্যে ৪০ শতাংশই অ-ব্যয়িত রয়ে গেছে। সে হিসেবে অ-ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা; সেখান থেকেও একটা অংশ ব্যয় করা যেতে পারে। নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের কথাটা আমাদের মনে রাখতে হবে : একটা দেশের বাজারে বা গুদামে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার থাকেও; তারপরও ওই দেশটিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে, যদি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা না থাকে। সুতরাং যারা ক্রয়ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবেন, তাদের মাঝে খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ যেভাবেই হোক, আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ‘মানুষ বাঁচাও’। সেক্ষেত্রে প্রফেসর আবুল বারকাতের নিবন্ধটি বিবেচনার দাবি রাখে। করোনাভাইরাস যেখানে বিশ্বকে ছাড় দেয়নি, সেখানে আমাদের কথা আলাদাভাবে ভাবার কোনো সুযোগ নেই। অপরদিকে প্রত্যেক জাতি, প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী তা সামাল দেয়ার চেষ্টায় রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। আমাদেরও বাইরের সহযোগিতার বিপরীতে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ীই লড়তে হবে। সেক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উচ্চারণটিই পাথেয় হতে পারে- কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। আমরা দেখতে চাই কথা ও কাজের মিল। কারণ আমরা যে অন্ধকার প্রাক্কলন করছি; বাস্তবতা এর চেয়ে অনেক বেশি রূঢ় হতে পারে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT