রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৬ জুন ২০২২, ১২ই আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

০৮:২৩ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ নোয়াখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ কালিহাতীতে আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসরত পরিবারের মাঝে খাবার বিতরণ ◈ রাজারহাটে আওয়ামী লীগের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ◈ রৌমারীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে স্প্রে মেশিন বিতরণ। ◈ বেদে সম্প্রদায়সহ বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে,মধ্যনগর থানা পুলিশ ◈ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে ডামুড্যায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। ◈ স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কালিহাতী থানা পুলিশের আতশবাজি প্রদর্শনী ◈ হাইওয়ে পুলিশের উদ্যোগে শেরপুরে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ◈ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উপভোগ করেণ দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন ◈ দুর্গাপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ ও ত্রাণ বিতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ঈদ বাজারে জাল নোট ছড়াতে সক্রিয় ১০ চক্র

প্রকাশিত : 10:55 AM, 7 August 2019 Wednesday 525 বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

 

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের বাজারে ছাড়া হয়েছে লাখ লাখ টাকার জাল নোট। আরো নোট ছাড়ার জন্য রাজধানীতে অন্তত ১০টি চক্র সক্রিয় বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা ৫০০ টাকার চেয়ে এক হাজার টাকার নোট জাল করে বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার দিকেই নজর দিচ্ছে বেশি। গত ১১ জুলাই ১০ জন জাল নোট কারবারিকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এসব তথ্য জানতে পেরেছে।

শিগগিরই এসব চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর ডিবির এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, এসব চক্রকে ধরার জন্য গোয়েন্দা তত্পরতা বাড়ানো হয়েছে।

ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছে, হুমায়ূন কবীর চক্রসহ রাজধানীতে অন্তত ১০টি চক্র ঈদের বাজারে জাল নোট ছড়াতে সক্রিয়। তারা আরো জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তারা বাংলাদেশি জাল নোট তৈরি করে তা বাজারজাত করে আসছিল। এই জাল টাকা পলাতক আসামিদের সহযোগিতায় ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করা হয়।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, চক্রগুলো জাল নোট তৈরি করে নির্দিষ্ট কয়েকজন সদস্য দিয়ে আসল টাকার সঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে বাজারে ছাড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাজধানীতে যে ১০টি জাল টাকা চক্র কাজ করছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় হুমায়ূন কবীর চক্র। এই হুমায়ূন কবীর একসময় পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি করতেন। ১৯৯৪ সালে চাকরি পাওয়ার পর তিনি বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। অবশেষে ২০০৩ সালে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এরপর নানা ব্যবসা করতেন হুমায়ূন। একপর্যায়ে রাজশাহী এলাকার একটি জাল নোট তৈরির চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। শুধু তা-ই নয়, এরপর গড়ে তোলেন জাল নোট তৈরির চক্র। ওই সময় থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত হুমায়ূন কবীরকে পুলিশ, র্যাব ও ডিবি পাঁচবার গ্রেপ্তার করেছে। প্রতিবারই তিনি জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও জাল নোটের কারবারে জড়িত হন। সর্বশেষ ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। কিন্তু চার মাস পর জামিনে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে আবারও জাল নোটের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর রয়েছে ৮-১০ জনের একটি দল, যারা টাকা বানানো ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

জানতে চাইলে দীর্ঘদিন ধরে জাল নোট কারবারে জড়িত অপরাধীদের বিষয়ে কাজ করা ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপকমিশনার মশিউর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কোরবানির ঈদ এলেই জাল টাকা চক্রের সদস্যরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। আমাদের কাছে খবর আছে যে কয়েকটি চক্র কাজ করছে জাল নোট ছড়াতে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

হুমায়ূন কবীর সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘হুমায়ূনকে এর আগেও আমরা গ্রেপ্তার করেছি, কিন্তু জামিন নিয়ে বেরিয়ে গিয়ে সে আবারও একই কাজ করে আসছে। তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ পর্যন্ত তিন ধরনের জাল নোটের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ‘ওয়াশ নোট’ নামের জাল নোট বেশি টাকায় বিক্রি করা হয়। এটি বানাতে ব্যবহার করা হয় প্রকৃত ১০০ টাকার নোট। ওই নোটকে রাসায়নিক দিয়ে সাদা করে প্রিন্টারের মাধ্যমে ৫০০ টাকার নোট জাল করা হয়। এক লাখ টাকা মূল্যমানের জাল ‘ওয়াশ নোট’ বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায়। আর্ট পেপারে তৈরি জাল ১০০টি এক হাজার টাকার নোট তারা চক্রের সদস্যদের কাছে ২৪-২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। খসখসে কাগজে তৈরি এক লাখ টাকা মূল্যমানের জাল নোট ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- [email protected] আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২২ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT