রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১১:০৮ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ হাসানাত মিলনের কথায় কাজী শুভর নতুন গান “কলিজা পুড়ে ছাই” ◈ শেরপুরে শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন; সভাপতি ফারুক, সম্পাদক জুয়েল ◈ মুক্তি পাওয়ার সাথেই সোশাল মিডিয়ার ব্যাপক সাড়া ধামইরহাটের কণ্ঠশিল্পী জাহাঙ্গীরের গানে ◈ ইনাতগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির আয়োজনে বিশ্ব করোনাকালীন সচেতনতা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত ◈ নজিপুর ইজি বাইক কল্যাণ সমিতির   বার্ষিক বনভোজন ◈ গোপালগঞ্জে দোলা পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ◈ মিম হত্যা বিচারের দাবীতে পত্নীতলায় মানববন্ধন ◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা

ইলিশময় কিছুটা সময় কাটান মাওয়া রিসোর্টে

প্রকাশিত : ০৭:৫৬ AM, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ Monday ৩৪৫ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

সময়-সুযোগের অভাবে দূরে কোথাও যাওয়া হয় না। নাগরিক ব্যস্ততায় হিমশিম খেতে হয় প্রতিনিয়ত। অথচ ঢাকার একেবারে কাছেই গড়ে উঠেছে চমৎকার রিসোর্ট। নিরিবিলি প্রকৃতির ছায়াঘেরা পদ্মাপাড়ে রয়েছে একটি রিসোর্ট। তার নাম মাওয়া রিসোর্ট। সাপ্তাহিক বা সরকারি ছুটিতে এখানে কাটাতে পারবেন ইলিশময় কিছুটা সময়।

অবস্থান: ঢাকা থেকে মাত্র ৩৮ কিলোমিটার দূরে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামে মাওয়া রিসোর্টটি অবস্থিত। রিসোর্টটির সামনেই ঢেউতোলা পদ্মা নদী।

বৈশিষ্ট্য: রিসোর্টটি একেবারে শান্ত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। এখানে এলে নদীতে সাঁতার কাটতে পারবেন। নৌকায় চড়ে ঘুরতেও পারবেন। সব ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থাই আছে এখানে। রিসোর্টের বিভিন্ন গাছে রয়েছে ফল। ইচ্ছে হলে পেড়ে খেতে পারবেন।

যা দেখবেন: রিসোর্টের প্রধান গেট দিয়ে ঢুকলেই বিশাল এক দীঘি। দীঘির চারদিকে নারিকেল আর সুপারি গাছ। রয়েছে দুটি বাঁধানো ঘাট। ঘাটে চুপচাপ বসে থাকতে পারবেন। চাইলে বোটে করে দীঘির শান্ত জলে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। পাড়েই ক্যাফেটেরিয়া। পছন্দমতো খাবার পাওয়া যায় এখানে। এখানে পাবেন তাজা ইলিশের স্বাদ। রাতে রিসোর্টের কটেজের জানালায় জোনাকির খেলা আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার শব্দ শুনতে পাবেন।

কটেজ: এখানে ১১টি কটেজ রয়েছে। প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী যে কোন একটি বেছে নিতে পারবেন। কটেজে যেতে সাদা আর সবুজ রঙের কাঠের পুল রয়েছে। কটেজগুলোর দেয়াল ইটের আর ছাদগুলো গোলপাতা দিয়ে বানানো। বাঁশের চটি দিয়ে নানা আলপনায় তৈরি করা হয়েছে সিলিং। তবে ভেতরে আধুনিক আসবাবপত্র, বাথরুম আর টাইলসের মেঝে দেখবেন। তখন মনে হবে কোন ফাইভ স্টার হোটেল।

যে কোন অনুষ্ঠান: রিসোর্টে পিকনিক, সভা-সেমিনার ও সিনেমার শুটিং করতে পারবেন। এখানে সব ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থা রয়েছে।

রাত যাপন: কটেজে রাতে ও দিনে থাকতে চাইলে আগেই বুকিং দিয়ে কনফার্ম করতে হবে। আর এমনিতে সারাদিন ঘুরতে চাইলে রিসোর্টের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ৩০ টাকা।

খরচ: সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রুম নিতে পারবেন। সে জন্য নন এসি ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার, এসি ৪ হাজার আর সুইট কটেজ ১২ হাজার টাকা ভাড়া পড়বে। আর রাত যাপনের ক্ষেত্রে ৫০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়বে।

যেভাবে যাবেন: ঢাকার গুলিস্তান, মিরপুর, ফার্মগেট, শাহবাগ থেকে মাওয়াগামী যে কোন বাসে যেতে পারবেন। নামতে হবে লৌহজং থানা মসজিদের সামনে। এরপর রিকশা বা অটোতে ১৫ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবেন। এছাড়া নিজস্ব গাড়ি হলে মাওয়া গোল চত্বরের ডানদিকের রাস্তায় দুই কিলোমিটার দূরে লৌহজং পুলিশ ফাঁড়ির কাছে পুরোনো ফেরী ঘাটের পাশে গেলেই পেয়ে যাবেন রিসোর্টটি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT