রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

১০:১১ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ মুক্তি পাওয়ার সাথেই সোশাল মিডিয়ার ব্যাপক সাড়া ধামইরহাটের কণ্ঠশিল্পী জাহাঙ্গীরের গানে ◈ ইনাতগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির আয়োজনে বিশ্ব করোনাকালীন সচেতনতা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত ◈ নজিপুর ইজি বাইক কল্যাণ সমিতির   বার্ষিক বনভোজন ◈ গোপালগঞ্জে দোলা পরিবহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ◈ মিম হত্যা বিচারের দাবীতে পত্নীতলায় মানববন্ধন ◈ ধামইরহাটে সোনার বাংলা সংগীত নিকেতনের বার্ষিক বনভোজন ◈ ধামইরহাটে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ◈ পত্নীতলায় করোনা সচেতনতায় নারীদের পাশে তথ্য আপা ◈ ফুলবাড়ীয়া ২ টাকার খাবার ও মাস্ক বিতরণ ◈ কাতারে ফেনী জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের দোয়া মাহফিল

আরও ১২ লাখ টিআইএন বাড়াতে চায় এনবিআর

প্রকাশিত : ০৪:৪১ AM, ৪ নভেম্বর ২০১৯ Monday ৯৭ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

শহরের পাশাপাশি এবার তৃণমূল পর্যায়ে নতুন করদাতা খোঁজার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ লক্ষ্যে জরিপ শুরু হয়েছে। সরকারের প্রধান রাজস্ব আদায়কারী সংস্থাটির অধীন বিভিন্ন কর অঞ্চলে এ জরিপ চালানো হবে। কর অঞ্চলের কর্মকর্তা ছাড়াও জরিপ করতে আউটসোর্সিং হিসেবে এবার কিছুসংখ্যক নারী শিক্ষার্থীকে কাজে লাগানো হচ্ছে। আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত জরিপ চলবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের বাকি সময়ের মধ্যে ১২ লাখ ব্যক্তিকে টিআইএন (ট্যাক্স পেয়ার্স আইডিনটিফিকেশন নম্বর) নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এখন অনলাইনে কর নিবন্ধন করতে হয়। ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন করা হয় বলে একে ই-টিআইএন বলা হয়। সহজ ও হয়রানিমুক্ত এ ব্যবস্থা ২০১৩ সালে শুরু হয়। বর্তমানে ই-টিআইএনধারীর সংখ্যা ৪৪ লাখের বেশি। নতুন জরিপের মাধ্যমে আরও ১২ লাখ যুক্ত হবে। ফলে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৬ লাখে। বর্তমান আইনে যার ই-টিআইএন রয়েছে তাকে বাধ্যতামূলক বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়। তবে রিটার্নে যদি আয় করযোগ্য না হয়, তাহলে তাকে কর দিতে হয় না। তিন অর্থবছর আগে এ নিয়ম চালু করা হয়। এনবিআর বলছে, কর জাল বাড়াতে আরও যোগ্য ব্যক্তিদের টিআইএন খোলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে তাদের করের আওতায় আনা হবে। এদের মধ্যে যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে, তাদের কর দিতে উৎসাহিত করা হবে।

এনবিআর সূত্র বলেছে, বর্তমানে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেক বেড়েছে। অনেক উপজেলা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ। সারাদেশে এ রকম শতাধিক উপজেলা আছে, যেগুলো ‘গ্রোথ সেন্টার’ হিসেবে পরিচিত। এসব উপজেলার সামর্থ্যবান করদাতাদের খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাম পর্যায়ে অনেক ইউনিয়নও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে রয়েছে, অনেকগুলোর সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এনবিআর মনে করছে, সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে এমন লাখো ব্যক্তি রয়েছেন, যাদের কর দেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে; অথচ আওতার বাইরে রয়ে গেছেন। এ জরিপের মাধ্যমে সেসব যোগ্য করদাতাদের করের আওতায় আনা হবে।

সংশ্নিষ্টরা জানান, জরিপ শুরু করতে সম্প্রতি এনবিআর থেকে কর অঞ্চলগুলোর কমিশনারদের আলাদা চিঠি পাঠানো হয়। তাদের অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাব্য করদাতা খোঁজার সংখ্যা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। প্রত্যেক কর অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানা, জনসংখ্যা এবং আওতাভুক্ত এলাকার অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবেন না, ওই কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। এনবিআরের অধীনে সারাদেশে বর্তমানে ৩১ কর অঞ্চল ও ছয় শতাধিক কর বা সার্কেল অফিস রয়েছে। এর মধ্যে ৮৬ উপজেলায় কর অফিস আছে।

এনবিআরের সদস্য (কর জরিপ ও পরিদর্শন) মেফতাহ উদ্দিন খান বলেন, করের আওতা বাড়াতে এনবিআর যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে এটি তারই অংশ। জরিপের মাধ্যমে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সামর্থ্যবানদের করের আওতায় আনা হবে। গ্রোথ সেন্টার হিসেবে পরিচিত উপজেলা ও ইউনিয়নে এ জরিপ চালানো হবে বলে জানান তিনি।

সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আয় বা সম্পদের দিক থেকে গৃহসম্পত্তি একটি উদীয়মান খাত। এ জন্য জরিপে গৃহসম্পত্তির মালিকদের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বেড়েছে। সেজন্য সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যন্ত অসংখ্য পাকা বাড়ি ও ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব স্থাপনার একক ও যৌথ মালিকদের মধ্যে অনেক করযোগ্য ব্যক্তি থাকলেও তারা কর জালের বাইরে রয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে করের আওতা বাড়াতে এ খাতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবার বলে তারা উল্লেখ করেন।

এ ছাড়া স্থানীয় সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে বাড়ি ও ফ্ল্যাটের তথ্য সংগ্রহ করে নতুন করদাতা খুঁজে বের করা হবে। গৃহসম্পত্তির ক্ষেত্রে জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড কমিশনার, ইউপি চেয়ারম্যান, ফ্ল্যাট মালিক বা সংশ্নিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ী সমিতিকে অবহিত করে তাদের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।

মাঠ পর্যায়ের একজন কর কমিশনার বলেন, প্রতিটি কর অঞ্চলের জনবল সীমিত। বর্তমান জনবল দিয়ে নিয়মিত কাজের পাশাপাশি জরিপ কাজ চালানো কঠিন। নতুন করদাতাদের খুঁজে বের করার কাজটি পুরোপুরি আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় করার প্রস্তাব দেন তিনি। এর আগের জরিপে বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু তরুণ শিক্ষার্থীকে সম্পৃক্ত করে এনবিআর। এবার প্রথমবারের মতো নারী শিক্ষার্থীদের টিমে যুক্ত করা হয়েছে। এনবিআর বলেছে, কাজে স্বচ্ছতা আনতে তাদের টিমে রাখা হয়েছে। সদস্যদের পরিচয়পত্র, টুপি, অ্যাপ্রন ও জ্যাকেট দেওয়া হবে।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT