রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

শুক্রবার ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আফিফের আইডল সাকিব

প্রকাশিত : 06:49 AM, 6 November 2019 Wednesday ১৯ বার পঠিত

অনলাইন নিউজ ডেক্স :
alokitosakal

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে সাকিব আল হাসান ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে নিজের পরিচয় দিতেন। আফিফ হাসানও নিজেকে ব্যাটিং অলরাউন্ডার দাবি করছেন। সাকিব বলতেন, ব্যাটিংয়ে ভালো করতে পারলে খুশি হন। আফিফও বলছেন, রান পেলে ভালো লাগে। সাকিব ব্যাটিং নিয়ে পরিশ্রম করেন। আফিফও নেটে ব্যাটিংয়ে সময় দেন। দু’জনেরই বোলিংটা সহজাত প্রতিভা। দু’জনই কম কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তরুণ সাকিব যেমন ছোট ছোট উত্তর দিতেন, চুপচাপ থাকতে পছন্দ করতেন, আফিফও তেমনই। তবে একটা জায়গায় দু’জনের অমিল পাওয়া যায়। সাকিব ব্যাটিং ও বোলিং দুটোই করেন বাঁহাতে। আফিফ ব্যাট করেন বাঁহাতে, বল ডানহাতে। দু’জনই আবার অ্যাথলেটও। দু’জনের এত মিলের কারণ হতে পারে, ক্রিকেটে হাতেখড়ির পর থেকেই সাকিবকে অনুসরণ করেন আফিফ। এত এত মিল যেখানে, সেখানে আফিফের মধ্যে সাকিবের বিকল্প দেখতেই পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।

দিল্লির টি২০-তে ছিলেন না সাকিব। ম্যাচে অগ্রজের অভাব বুঝতে দেননি আফিফ। তিন ওভার বল করে সাকিবের মতোই কৃপণ ছিলেন রান দেওয়ায়। ১১ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার তার। ইকোনমি ৩.৬৬। এত ভালো বোলিংয়ের পরও আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না। বরং পরের ম্যাচে আরও ভালো বোলিং ও ব্যাটিং করতে নিজেকে তৈরি করছেন, ‘অবশ্যই আমি একজন ব্যাটিং অলরাউন্ডার। শেষ ম্যাচে আমার ব্যাটিংয়ের সুযোগ আসেনি। বোলিংয়ে সুযোগ এসেছে। সেখানে আমি দলের জন্য পারফর্ম করার চেষ্টা করেছি। ব্যাটিংয়ে সুযোগ এলে আমি একইভাবে চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার।’

২২ বছর বয়সেই দারুণ পরিণত আফিফ। খেলার মাঠে মাথা খাটাতে জানেন ভালো। কখনও ঘাবড়ে যান না; বরং নিজের পরিকল্পনায় অবিচল থাকেন, ‘আমি চেষ্টা করি বল বাই বল মনোযোগ দেওয়ার। সামনের ম্যাচেও একই চেষ্টা করব। প্রতিটি বলে মনোযোগ দেওয়ার ব্যাপারটা আমাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করে।’ সাকিবকে প্রেরণা মেনে দিল্লির ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ। জয়ের পর সাকিবও অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি। এসএমএস করে শুভেচ্ছা জানান দীর্ঘদিনের সতীর্থদের। ক্রিকেটারদের যে রকম খোশমেজাজে দেখা যাচ্ছে, তাতে করে আরও একবার অভিনন্দন বার্তা পাঠাতে প্রস্তুতি নিয়ে ফেলতে পারেন সাকিব। দলীয় প্রতিনিধি হয়ে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে আফিফ জানালেন, দিল্লির জয় দারুণ আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে তাদের। পরের ম্যাচ নিয়ে ফোকাসটা তাই জয়ের দিকে। প্রথম বিদেশ সফরকে দারুণ সব অভিজ্ঞতায় মোড়াতে চান আফিফ, ‘জার্নিটা অনেক আনন্দদায়ক। এখানে এসে অনেক কিছু শিখতে পারছি। জাতীয় দলের সঙ্গে প্রথম সফর। শুরু থেকে রোমাঞ্চিত ছিলাম। প্রথম থেকেই চেষ্টা করছিলাম, এখানে এসে যেন আমি নিজের সেরাটা দিতে পারি।’ দিল্লির মতো রাজকোটেও হয়তো সেরাটাই দেবেন।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।




© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT