রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

১০:৩৮ অপরাহ্ণ

শিরোনাম
◈ ভূঞাপুরে চার মোটরসাইকেল চালককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ◈ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নার্সদের অবহেলায় ২ শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ ◈ চিরিরবন্দরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ ◈ শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের বেসিনে নেই সাবান-পানি, এক বছরেই ব্যবহার অনুপযোগী ◈ ফুলবাড়ীয়ায় হাত ভাঙা বৃদ্ধা ও হাসপাতাল শয্যায় অসহায় রোগীকে অর্থ সহায়তা প্রদান ◈ আড়িয়াল বিলে অস্থায়ী হাঁসের খামার ◈ সিঙ্গাইরে সুশিল সমাজ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় ◈ আশুলিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী তৈরি ◈ শ্রীনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাকেল আরোহীর মৃত্যু ◈ কালিগঞ্জের পল্লিতে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে মোটর সাইকেল মেকানিকের মৃত্যু

আখাউড়ায় স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও অরক্ষিত ২৫০ জন শহীদের গনকবর।


Warning: Illegal string offset 'text' in /home/alikitosakal/public_html/wp-content/themes/smrlit/functions/reporters.php on line 774

প্রকাশিত : ০৫:২১ PM, ১ ডিসেম্বর ২০১৯ রবিবার ৪২৯ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট
Warning: Illegal string offset 'text' in /home/alikitosakal/public_html/wp-content/themes/smrlit/functions/reporters.php on line 774
:
alokitosakal

স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে গেলেও ৭১ সালে পাকিস্তানি হায়েনা ও তাদের এদেশীয় দোসরদের হাতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিকামী জনতার গণকবর এখনও অযত্ন, অবহেলিত ও অরক্ষিত হয়ে পড়ে আছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার সেনারবাদী গ্রামের ওপারে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা দক্ষিণ রামনগর সীমান্তের নো-ম্যানসল্যান্ডে (সীমান্তের শূন্যরেখায়) ২৫০ শহীদের গণকবরটির অবস্থান খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা নোম্যানসল্যান্ডের ওই গণকবরে অনাদরে যুগ যুগ ধরে শুয়ে আছেন অন্তত ২৫০ মুক্তিযোদ্ধা।

৭১’মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলার জিবি হাসপাতালে যেসব যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মারা যেতেন তাদের এখানে এনে দাফন করা হতো। তাছাড়াও পাকিস্তানিদের গুলিতে নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের ওখানটায় দাফন করা হয়। কোনো কোনো কবরে তিন-চারজনকেও কবর দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ‘২০২১/আই-এস’ সীমান্ত পিলারের প্রায় ২০ গজ দক্ষিণে ভারতের ত্রিপুরা সীমানায় নোম্যান্সল্যান্ডে জঙ্গলি গাছ ও লতাগুল্মপাতায় বেষ্টিত প্রায় অর্ধএকর জায়গা জুড়ে সেনারবাদী গণকবরের অবস্থান।

আখাউড়া-আগরতলা স্থলবন্দরের দক্ষিণ দিকে সীমান্ত সংলগ্ন সেনারবাদী গ্রাম। সীমান্তের ওপারে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দক্ষিণ রামনগর গ্রাম। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সেনারবাদী গ্রামটিতে পাকসেনারা সুদৃঢ় কোন অবস্থান নিতে পারেনি। ফলে আখাউড়া, গঙ্গাসাগর, কর্ণেল বাজার, গাজির বাজারসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে যে যুদ্ধ হয়েছে সে সব যুদ্ধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সেনারবাদী কবরস্থানে কবর দেওয়া সম্ভব হয়। স্বাধীনতার পূর্ব সময়ে বাংলাদেশ এবং ভারত দু’দেশের লোকজনই এ কবরস্থানটিকে যৌথভাবে ব্যবহার করত। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের লাশ দাফন করায় পরবর্তীকালে এলাকাবাসী এ কবরস্থানটিকে আর ব্যবহার করেনি।

আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউপির সাবেক মেম্বার মুক্তিযাদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক নিজে সহায়তা করে অনেক মুক্তিযোদ্ধার লাশ সমাহিত করেছেন।
তিনি বলেন, নোম্যান্সল্যান্ডের সমাধিস্থলে মুক্তিযোদ্ধাদের যে লাশ কবর দেয়া হয়েছে তার সংখ্যা সব মিলিয়ে আড়াই’শর বেশি লাশের দাফন হয়েছে ওই গণকবরে। লাশ দাফনের সময় সহায়তা করেছেন মৃত আজিজুল হক আব্দু মেম্বার, আলী আহমেদ সরদার, আব্দু মেম্বারের প্রতিবেশি গিয়াস উদ্দিন ওরফে আরজু মিয়াও নিজ হাতে অনেক লাশ দাফন করেছেন বলে তিনি জানান।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পরবর্তী সময়ের শ্রমমন্ত্রী জহুর আহমেদ চৌধুরী ’৭৪ সালের শেষ দিকে সেনারবাদী গণকবর পরিদর্শন করে শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখার উদ্দ্যেশে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করার জন্য তৎকালীন ১০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর ওই গণকবরে শায়িত শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় আর কেউ এগিয়ে আসেনি।

দীর্ঘ দিন ধরে নোম্যান্সল্যান্ডে অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকা ২৫০ জন শহীদের গণকবর রক্ষা নতুন প্রজন্মকে জানান দেওয়ার জন্য দেশ ও জাতির বৃহৎ স্বার্থে আখাউড়া-আগরতলা নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছে মুক্তিযাদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT