রেজি. নং- ১৯৬, ডিএ নং- ৬৪৩৪

সোমবার ০১ মার্চ ২০২১, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

০৩:০৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম
◈ গৌরীপুরে আওয়ামীলীগের বিশাল কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত ◈ ধামইরহাটে পৌরসভার ১ম অধিবেশন,প্যানেল মেয়র হলেন মুক্তাদিরুল হক ও মেহেদী হাসান ◈ রায়পুর পৌর নির্বাচ‌নে বিজ‌য়ের মালা পর‌লেন নৌকা প্রতী‌কের প্রার্থী গিয়াস উ‌দ্দিন রু‌বেল ভাট ◈ চরফ্যাসনে পৌরসভা মেয়র হলেন মোরশেদ ◈ মহেশপুরে আবারো পৌর মেয়র নির্বাচিত হলেন আব্দুর রশিদ খাঁন ◈ শিক্ষকের পর এবার প্রাণ গেল দশম শ্রেনির স্কুলছাত্রী মৌনতার ◈ সান্তাহারে মা-ছেলেকে মারপিট! হাসপাতালে ভর্তি ◈ ধুনটে মাদকসহ পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি গ্রেফতার ◈ না ফেরার দেশে চলে গেলেন কাউন্সিলর শহীদ ◈ কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে একই স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যু

আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপির ব্যয় বেশি

প্রকাশিত : ০৭:৩৫ AM, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সোমবার ১৪৮ বার পঠিত

আলোকিত সকাল রিপোর্ট :
alokitosakal

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশে সবচেয়ে বড় দুই রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সহ ৩৯টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। সেখানে দেখা যায়, এই সংসদ নির্বাচনে তুলনামূলক কম আসনে প্রার্থী দিয়েও আ. লীগের চেয়ে বিএনপির ব্যয় বেশি হয়েছে। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সবকটি আসনে প্রার্থী দিয়ে সব দলের চেয়ে বেশি ব্যয় করেছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্তৃক প্রকাশিত ভোটের নয় মাস পর দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যয়ের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভোটে সে সময়কার নিবন্ধিত ৩৯টি দল অংশ নেয়। গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ৩০ ডিসেম্বর ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক হাজার ৮৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যার মধ্যে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৭৩৩ জন প্রার্থী অংশ নেয়। বাকি ১২৮ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসাবে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৯৮, জাকের পার্টি ৯০, বিএনএফ ৫৭, গণফোরাম ২৮ (ধানের শীষ ৭), বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ২৮, ইসলামী ঐক্যজোট ২৫, ইসলামী ফ্রন্ট ২৫, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ১৯ (ধানের শীষ ৪), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ ১৮, পিডিপি ১৪, গণফ্রন্ট ১৩, খেলাফত মজলিস ১২ (ধানের শীষ ২), জাসদ ১১ (নৌকা ৩), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ১১, জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম ৮ (ধানের শীষ ৩), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৫, বাংলাদেশ জাগপা ৪, বাংলাদেশ ন্যাপ ৩, কল্যাণ পার্টি ২ (ধানের শীষ ১), মুক্তিজোট ২ এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ- বিএমএল ১ জন প্রার্থী দিয়েছিল।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ ২৬০ (নৌকা ২৭২), বিএনপি ২৫৭ (ধানের শীষ ২৮২), জাতীয় পার্টি ১৭৫ (মহাজোট ২৫), এনপিপি ৭৯, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ৭৪, বাংলাদেশ মুসলীম লীগ ৪৮, বাসদ ৪৪, বিকল্পধারা ২৬ (নৌকা ৩), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ২৪, তরিকত ফেডারেশন ১৭ (নৌকা ১), জেপি ১১ (মহাজোট ২), ন্যাপ ৯, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৮ (ধানের শীষ ৪), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৮ (নৌকা ৫), এলডিপি ৮ (ধানের শীষ ৪), গণতন্ত্রী পার্টি ৬, বিজেপি ৩ (ধানের শীষ ১) এবং সাম্যবাদী দল ২ জন প্রার্থী দিয়েছিল।

এসব দলের মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, গণফোরাম, এলডিপি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট দল থেকে কোনো ব্যয় করে নি বা প্রার্থীকে কোনো সহায়তা দেয়নি বলে জানিয়েছে ইসিকে।

নির্বাচনে অংশ নেয়া দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করে শীর্ষে রয়েছে- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ২ কোটি ১৪ লাখ ৮ হাজার ২১২ টাকা ব্যয় দেখিয়েছে দলটি। সবকটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

আর ৫৭ জন প্রার্থী দিয়ে ১ কোটি ১৯ লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যয় করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট- বিএনএফ।

২৬০ আসনে প্রার্থী দিয়ে ১ কোটি ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৩৮ টাকা ব্যয় করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আর ২৫৭ আসনে প্রার্থী দিয়ে ১ কোটি ১১ লাখ ৩৯ হাজার ১২০ টাকা ব্যয় করেছে বিএনপি।

বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল নির্বাচনে সবচেয়ে কম টাকা দলের পক্ষ থেকে ব্যয় করেছে। একজন প্রার্থী দিয়ে ২ হাজার টাকা ব্যয় করেছে দলটি।

এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ১৯ জন প্রার্থী দিয়ে ৭০ লাখ ২৪ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয় করেছে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি ৭৪ জন প্রার্থী দিয়ে ৩১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২০ টাকা ব্যয় করেছে। জাতীয় পার্টি-লাঙল ১৭৫ জন প্রার্থী দিয়ে ৪ লাখ ৫২ হাজার ৫৬০ টাকা ব্যয় করেছে। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ৪৪ জন প্রার্থী দিয়ে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪৬ টাকা ব্যয় করেছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, যে দল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, সে দল সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারে। সর্বোচ্চ ১০০ প্রার্থীর জন্য দেড় কোটি টাকা করা যায়। সর্বোচ্চ ২০০ প্রার্থীর জন্য ৩ কোটি টাকা এবং ২০০ বেশি প্রার্থী দিলে সংশ্লিষ্ট দল সর্বোচ্চ সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।

আরপিও-এর ৪৪ সিসিসি (৫) দফা অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে ৩০ দিন সময় দেবে নির্বাচন কমিশন। এই ত্রিশ দিনের মধ্যে কোনো দল হিসাব দিতে ব্যর্থ হলে কমিশন চাইলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে আরও ১৫ দিন সময় দিতে পারে। এই ১৫ দিনের মধ্যেও হিসাব জমা না দিলে কমিশন সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিল করে দেওয়ার বিধান রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৩৯টি দলের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব, দলগুলোর তথ্য একীভূত করে তা প্রকাশ করে ইসি।

শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি Alokito Sakal'কে জানাতে ই-মেইল করুন- dailyalokitosakal@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

Alokito Sakal'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। Alokito Sakal | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বে-আইনি, Design and Developed by- DONET IT